শহীদুলের তোপে গুঁড়িয়ে গেল কর্ণাটক

প্রথম দুই ম্যাচ ভালো খেলেও ড্র করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড একাদশ। তৃতীয় ম্যাচে এসে স্বাগতিক কর্ণাটক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন সেক্রেটারিয়েট একাদশের বিপক্ষে প্রথম দিনেই বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। কর্ণাটকের দলটিকে শহীদুল ইসলামের দুরন্ত বোলিংয়ে মাত্র ৭৯ রানে অলআউট করে দিয়েছে বিসিবি একাদশ। এরপর নিজেরা প্রথম দিনের খেলাশেষে তিন উইকেটে ১৩৫ রান তুলে ফেলেছে।

প্রথম ১০ ওভারের মধ্যেই কর্ণাটকের দলটিকে কাঁপিয়ে ফেলেন বাংলাদেশি ফাস্ট বোলাররা। পরপর তিন উইকেট তুলে নেন শহীদুল। আর এর সঙ্গে ১১তম ওভারে প্রথম উইকেট তুলে নেন এবাদতও। ফলে ১৫ রানে চার উইকেট হারিয়ে ফেলে কর্ণাটক। এই ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি দলটি।

অবিনব মনোহর ও প্রবীণ দুবে চেষ্টা করেছিলেন জুটি করার। কিন্তু আরিফুল ও এবাদত দুই জনের উইকেট তুলে নেন। এরপর আরিফুল আরো দুইটি উইকেট নেন। আর শেষ দিকে আনন্দ ও দেবাইকে আউট করে কর্ণাটকের ইনিংস গুটিয়ে দেন শহীদুল।

সব মিলিয়ে বিসিবি একাদশ মাত্র তিন জন বোলার ব্যবহার করেছে ৪১ ওভারের এই ইনিংসে। শহীদুল ১৬ ওভারে সাতটি মেডেন নিয়েছেন এবং মাত্র ২০ রান দিয়ে তুলে নিয়েছেন পাঁচ উইকেট। আরিফুল ২২ রানে নিয়েছেন তিন উইকেট। আর এবাদত দুই উইকেট নিয়েছেন ৩৬ রান খরচ করে।

জবাব দিতে নেমে বিসিবি একাদশও অবশ্য দ্রুত বিপদে পড়েছিল। দলীয় মাত্র ছয় রানে ওপেনার সাইফ হাসান ফিরে আসেন। এরপর অধিনায়ক মুমিনুলকে নিয়ে পালটা আক্রমণ করেন সাদমান ইসলাম। মুমিনুল অবশ্য দীর্ঘ ইনিংস খেলতে পারেননি। তিনি ৩৭ বলে ১০ রান করে ফিরে আসেন। এরপর জহুরুলের সঙ্গে সাদমান জুটি করে স্থিতিশীল একটা অবস্থা এনেছিলেন। কিন্তু সাদমান শেষ বিকালে আউট হয়ে যান।

৯৩ বলে ৫৯ রান করে ফিরে আসেন বাংলাদেশের টেস্ট ওপেনার সাদমান ইসলাম। দিনের বাকিটা সময় নির্বিঘ্নে কাটিয়ে দিয়েছেন জহুরুল ও নাজমুল হোসেন শান্ত।

জহুরুল ২৮ রানে এবং শান্ত ২৭ রানে ব্যাট করছেন। কর্ণাটকের পক্ষে দেবাইয়া, ভিদওয়াথ ও আনন্দ একটি করে উইকেট নিয়েছেন।