ইমরান খানকে অভ্যর্থনা জানাননি কোনো সিনিয়র মার্কিন কর্মকর্তা

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে অভ্যর্থনা জানাননি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সিনিয়র কর্মকর্তা। তিন দিনের সফরে রবিবার যুক্তরাষ্ট্রে পৌছান ইমরান খান। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের কথা ইমরান খানের। খবর এনডিটিভি ও আনন্দবাজার পত্রিকার

অন্য দেশের রাষ্ট্রপ্রধানেরা আমেরিকায় গেলে তাঁদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে সেই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসএ)। কিন্তু ইমরান খানের কাছে তেমন কিছুই দেখা যায়নি। পাকিসত্মানের প্রধান শাসক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) তাদের টুইটার হ্যান্ডলে যে ভিডিওটি পোস্ট করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে ইমরান খানকে অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি এবং সেখানের পাকিসত্মান দূতাবাসের কয়েকজন কর্মী। এছাড়া মার্কিন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (প্রটোকল) ম্যারি কেট ফিশার উপস্থিত ছিলেন বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়। এনএসএ বা পাকিস্তান দূতাবাসের গাড়িতে নয় বরং টিকিট কেটে মেট্রো করে গন্তব্যে পৌঁছান ইমরান খান। খরচ বাঁচাতে পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী কাতার এয়ারওয়েজের সাধারণ যাত্রীবাহী বিমানে আমেরিকায় যান এবং সেখানে তিনি কোনো হোটেলে থাকছেন না, পাকিস্তান রাষ্ট্রদূত আসাদ মজিদ খানের বাড়িতে থাকবেন বলে ঠিক করেছেন। হোয়াইট হাউসে সোমবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা ইমরান খানের। সোশ্যাল মিডিয়া সূত্রে জানা গেছে, ইমরান খানকে অভ্যর্থনা দিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় পাকিস্তানের কাছে দুই লাখ ৫০ হাজার ডলার দাবি করেছিল। কিন্তু পাস্তািন সরকার সেটি দিতে অস্বীকৃতি জানায়।