ঘূর্ণিঝড়, নিম্নচাপ কিংবা বর্ষাকালে জোয়ারের পানি বৃদ্ধির ফলে শক্তিশালী ঢেউয়ের তোড়ে সেন্টমার্টিন দ্বীপের বসতবাড়ি, রিসোর্ট ও কৃষিজমি বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্বীপের চারপাশে বেড়িবাঁধ বা জিও ব্যাগ না ফেললে ভবিষ্যতে পুরো দ্বীপই সাগরে বিলীন হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সম্প্রতি সাগরের তীব্র ঢেউয়ের ধাক্কায় ১১টি রিসোর্ট ও ২০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লবণাক্ত পানি ঢুকে কৃষিজমির ফসলও নষ্ট হয়ে গেছে। কৃষক আব্দুল কুদ্দুস জানান, তার জমিতে জোয়ারের পানি ঢুকে ফসল নষ্ট হয়েছে। রশিদ মাঝি বলেন, সাগরের ঢেউয়ে তার বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ড্রিমার্স প্রাডাইস রিসোর্টের ম্যানেজার রাকিব হাসান জানান, এবারের ঢেউ এতটাই শক্তিশালী ছিল যে রিসোর্টের ইটের প্রাচীরও ভেঙে গেছে। সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম জানান, দ্বীপের চারপাশে উঁচু বেড়িবাঁধ না হলে এটি রক্ষা করা সম্ভব নয়। বর্ষায় ভারী বৃষ্টিতেও দ্বীপের গ্রামগুলো প্লাবিত হয়, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থাও নেই।
টেকনাফের ইউএনও শেখ এহেসান উদ্দিন জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহকে তাৎক্ষণিক ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলো পরিদর্শনের পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে বেড়িবাঁধ বা জিও ব্যাগ নিয়ে এখনো কোনো পরিকল্পনা নেই বলে তিনি জানিয়েছেন।