ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট ও জাল শিক্ষা সনদের মাধ্যমে চাকরি নেওয়া পুলিশের কনস্টেবল আবদুল মালেককে জামিন দেননি হাইকোর্ট। তবে তাকে চার সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। আদালতে আসামি পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী একেএম ফয়েজ, দুদকের পক্ষে মো. নওশের আলী মোল্লা এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।
আইনজীবীরা জানান, ২০০২ সালের ১০ অক্টোবর মালেক মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পান। ওই বছরের ৩০ এপ্রিল রাজশাহীতে নিয়োগ দেওয়া হয়। সর্বশেষ ডিএমপি ট্রাফিক পূর্ব বিভাগে কর্মরত ছিলেন। ১৯৯৮ সালের এসএসসি’র শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে তিনি চাকরি পান। কিন্তু ওই সনদ ও মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট ছিল ভুয়া। জালিয়াতির এ ঘটনা উদঘাটন হওয়ায় দুদক গত ৫ অক্টোবর বগুড়া সদর থানায় মামলা করে। এ মামলায় তিনি জামিন নিতে হাইকোর্টে আসেন। ইতোমধ্যে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।