এলাকাবাসীর দুর্ভোগ

প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে লিঙ্করোডে ফেলা হচ্ছে আবর্জনা

আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি এলাকার গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। রাতদিন ফেলা হচ্ছে ময়লা-আবর্জনা। যেন ময়লা ফেলার প্রতিযোগিতা। অথচ প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এখানে, যাতে কেউ ময়লা-আবর্জনা না ফেলে। কিন্তু কে শোনে সেই কথা। যে যার মতো ময়লা ফেলে যাচ্ছে। এতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এলাকাবাসী। এ ছাড়া, লিংক রোড দিয়ে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জে চলাচলকারী যাত্রী সাধারণকেও চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় এই আবর্জনার দুর্গন্ধের কারণে।

জালকুড়ি এলাকায় ময়লা ফেলার স্থানে সম্প্রতি সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, সড়ক ও জনপদের একটি সাইনবোর্ড। ‘এখানে ময়লা আবর্জনা ফেলা সম্পূর্ণ নিষেধ’। কিন্তু কে শোনে কার কথা। সড়কের পূর্বপার্শ্বে ময়লার উঁচু স্তূপ। ওই সকল স্তূপ থেকে আবর্জনা চারিদিকে ছড়িয়ে দিয়ে জায়গা ভরাট করা হচ্ছে। শুকনো ময়লা পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। ঘণ্টার ব্যবধানে দুই তিনটি ময়লার গাড়ি ময়লা ফেলে যায়। ময়লা দিয়ে খাল ভরাট করা হচ্ছে। এছাড়া সড়কের পশ্চিম পার্শ্বেও ফেলা হচ্ছে ময়লা। ময়লার গাড়ির কয়েকজন ড্রাইভার বলেন, সবসময় আসি না ময়লা ফেলতে। কিন্তু স্থানীয় একজন বললেন, ‘এই জায়গায় শুধু রাতের অন্ধকারে আবর্জনা ফেলে এমন না, দিনে অনেকবার আইসা ময়লা ফেলে যায়।’

সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার হোসনে আরা বেগম বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে জালকুড়িতে ময়লা ফেলা নিষেধ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারপরেও লুকিয়ে এখনো ময়লা ফেলে সেটা জানি। জেলাপ্রশাসক বক্তাবলীতে একটি জায়গা ঠিক করে দিয়েছেন। সেখানে ইউনিয়নের ময়লা ফেলবে। তবে জায়গাটা নিয়ে কিছুটা সমস্যা আছে। এর জন্য চেয়ারম্যান সাহেব কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বিষয়টি দেখবেন। জায়গাটি ঠিক হয়ে গেলে সেখানে আর ময়লা ফেলা হবে না। জেলার পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. মইনুল হক  বলেন, এখানে মেডিক্যালের বর্জ্যও থাকে। এ ময়লা এভাবে ফেলার রাখলে অনেক সমস্যা হতে পারে। এখানে যারা কাজ করে তাদের নানা রোগ হতে পারে। এখানের বর্জ্য সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করতে হবে।