আপিলেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে :রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাছাইয়ে দলগত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বিএনপির প্রার্থীরাই বেশি বাদ পড়েছেন। দলটির মোট ১৪১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এই প্রার্থীদের আপিল করার সুযোগ দিয়েছিল তিন দিন। এই ক্ষেত্রেও সরকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। গতকাল নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

রিজভী অভিযোগ করেন, রাজশাহীতে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও নাদিম মোস্তফার মনোনয়নপত্র বাতিলের সার্টিফায়েড কপি এখনো দেওয়া হয়নি। অথচ আপিলের জন্য বুধবারই শেষ দিন। তার অর্থ হচ্ছে, সরকারের নির্দেশনায় একেবারে পরিকল্পিতভাবে রিটার্নিং অফিসাররা বিএনপির ‘হেভিওয়েট নেতাদের’ নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য এই পাঁয়তারা করছে। রিটার্নিং অফিসাররা সরকারের নির্দেশেই বিএনপি নেতাদের মনোনয়নপত্র তুচ্ছ কারণে বাতিল করছে।

আইনের দুই রকমের প্রয়োগ হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের স্বার্থে আইন এক ধরনের, আর বিএনপির ক্ষেত্রে আরেক ধরনের। বিএনপির পাঁচ নেতার আবেদন হাই কোর্টে নাকচ হওয়ার পর অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছিলেন, দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুক্তিলাভের পর ৫ বছর অপেক্ষা করতে হবে। তাহলে মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এবং কক্সবাজারের সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদির সংসদ সদস্য পদ কী অবৈধ নয়? মহীউদ্দিন খান আলমগীর, হাজী সেলিম দণ্ডিত হওয়ার পরও তাদের মনোনয়নপত্র কীভাবে বৈধ হয় জানতে চান রিজভী।

রিজভী বলেন, নির্বাচনী মাঠ সমতল হওয়ার থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছে। তফসিল ঘোষণার পরেও পুলিশ প্রতিনিয়ত নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছে। এসবের জন্য তিনি নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেন। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আতাউর রহমান ঢালী, মামুন আহমেদ, কেন্দ্রীয় নেতা মুনির হোসেন ও মাশুকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।