কেনিয়ায় ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার

গণকবরের মৃতরা ‘ধর্মীয় মতাদর্শে’ প্রভাবিত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে: পুলিশ

কেনিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্কিত সন্দেহজনক গণকবর থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, আরও মরদেহ পাওয়া যেতে পারে। ঘটনাটি মালিন্দির নিকটবর্তী কিলিফি কাউন্টিতে, যেখানে দুই বছর আগে ‘ডুমসডে কাল্ট’-এর শত শত অনুসারীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছিল। 

শুক্রবার (২২ আগস্ট) উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আলজাজিরা।

সরকারি রোগ বিশেষজ্ঞ ড. রিচার্ড জোরোগে বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে তারা ২৭টি সন্দেহজনক কবর শনাক্ত করেছিলেন। এর মধ্যে ছয়টি কবর খননের পর পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি, এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে থাকা আরও ১০টি বিচ্ছিন্ন দেহাবশেষও উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, অনুসন্ধান এখনো চলছে এবং বিশাল এলাকা জুড়ে কাজ হওয়ায় মরদেহের সংখ্যা বাড়তে পারে।

কেনিয়ার পাবলিক প্রসিকিউটরস অফিস জুলাই মাসে জানিয়েছিল, এখানে সমাহিত ব্যক্তিদের মৃত্যু অনাহার ও শ্বাসরোধজনিত হতে পারে। 

তদন্তে জানা যায়, তারা 'চরম ধর্মীয় মতাদর্শে প্রভাবিত হয়ে' প্রাণ হারিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় অন্তত ১১ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রসিকিউটর অফিস আরও জানায়, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছিল, যখন তারা শিশু নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন।

এর আগে ২০২৩ সালে পাশের শাকাহোলা বন থেকে ৪০০ এর বেশি মরদেহ উদ্ধার হয়েছিল, যা সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ ধর্মীয় গোষ্ঠী-সংক্রান্ত ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়।