দৈনিক ইত্তেফাকে স্বচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পর এলাকাবাসীর নিজ উদ্যোগেই অবশেষে রাস্তার সংস্কার ও উন্নয়ন করেছেন। উপজেলা প্রকৌশল অফিস এবং মির্জাপুর পৌরসভা রাস্তাটি সংস্কার ও উন্নয়ন না করায় বেশ কিছু শিক্ষানুরাগী তরুণ-যুবক ও এলাকার সুধীজন মিলে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি নিজেদের টাকায় উন্নয়ন করেছেন বলে গতকাল শুক্রবার গোড়াইল গ্রামের বাসিন্দা দেওয়ান মো. শিপলু জানিয়েছেন।
গত ৬ জুলাই দৈনিক ইত্তেফাকে বৃষ্টি হলেই বাইপাস বংশাই রোডে জলাবদ্ধতা-ভোগান্তিতে মির্জাপুর পৌরবাসী শীর্ষক- একটি স্বচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর এলাকাবাসী নড়েচড়ে বসলেও টনক নড়েনি পৌরসভা ও প্রকৌশল অফিসের। রাস্তাটি সংস্কারের জন্য তারা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। বংশাই রোডের বাসিন্দা, গাড়াইল, গোড়াইল, ত্রিমোহন, পুষ্টকামরী ও মির্জাপুর বাজারের বেশ কয়েকজন সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী তরুণ-যুবক মিলে নিজেদের উদ্যোগেই চাঁদা উঠিয়ে ভাঙাচোরা রাস্তায় জলাবদ্ধতা পাম্প দিয়ে নিষ্কাশন করে ইট-বালি ফেলে চলাচলের উপযোগী করে তুলেছেন।
পৌরসভার মেয়র মো. সাহাদত হোসেন সুমন বলেন, মাস্টার প্ল্যানের মাধ্যমে মির্জাপুর পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে সুষম উন্নয়নের জন্য মেগা পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। গত ১৪ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় স্থানীয় সরকার বিভাগ মির্জাপুর পৌরসভাকে প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন। প্রকল্প তৈরি বরাদ্দ চেয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, এডিবি, জাইকা ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে।