জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা

বিজ্ঞান

 

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিও। আসছে নভেম্বরে তোমাদের জেএসসি পরীক্ষা শুরু হবে।। ভালো ফলাফলের জন্য  জ্ঞান ও অনুধাবনের প্রশ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই তোমাদের জন্য অধ্যায়ভিত্তিক জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও তার উত্তর  দেয়া হলো। আজ প্রথম অধ্যায় প্রাণীজগতের শ্রেণিবিন্যাস  থেকে কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর দেয়া হলো।

ক.সিলেন্টেরন কী?

উত্তর :নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের দেহগহ্বরকে সিলেন্টেরন বলে।

খ. শিখা কোষ  ও নেফ্রেডিয়ার সম্পর্ক কী?

উত্তর :শিখা কোষ প্লাটিহেলমিনথিস পর্বের ও নেফ্রেডিয়া অ্যানেলিডা পর্বের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য। উভয়ই প্রাণীর রেচন অঙ্গ থাকে। উভয়ই রেচনকার্য অর্থাত্ নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন করে থাকে।

ক. নেফ্রেডিয়া কী?

উত্তর : অ্যানেলিডা পর্বের প্রাণীর রেচন অঙ্গের নাম নেফ্রেডিয়া।

খ. নিডারিয়া পর্বকে সমুদ্রের অলঙ্কার বলা হয় কেন?

উত্তর :নিডারিয়া পর্বের অধিকাংশ প্রাণী হলো সামদ্রিক। এরা সমুদ্রে একা বা দলবদ্ধভাবে বসবাস করে থাকে। এদের দেহের বর্ণ ও গঠন ভিন্নতা সমুদ্রের সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি করে বলে এদের সমুদ্রের অলঙ্কার বলা হয়।

ক. ফিতাকৃমি কোন পর্বের প্রাণী?

উত্তর :ফিতাকৃমি হলো প্লাটিহেলমিনথিস পর্বের প্রাণী।

খ. নটোকর্ড বলতে কী বোঝ?

উত্তর :নটোকর্ড হলো একটা নরম,নমনীয়, অখণ্ডায়িত, দণ্ডাকার অঙ্গ। এটি মেরুদণ্ডী প্রাণীর পৃষ্ঠদেশ বরাবর সারাজীবন অথবা শুধুমাত্র ভ্রুণীয় অবস্থায় বিদ্যমান থাকে। মানবদেহে নটোকর্ড শুধুমাত্র ভ্রুণীয় অবস্থায় পৃষ্ঠীয়দেশ বরাবর বিদ্যমান থাকে এবং পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় নটোকর্ড মেরুদণ্ডে রূপান্তরিত হয়।

ক. সিলোম কী?

উত্তর :বহুকোষী প্রাণীর পৌষ্টিকনালী এবং দেহ প্রাচীরের মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থানকে সিলোম বলে।

খ. কুনোব্যাঙকে উভচর প্রাণী বলা হয় কেন?

উত্তর :কুনোব্যাঙ জীবনের প্রথম অবস্থায় সাধারণত পানিতে বাস করে এবং মাছের মতো ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়। কিন্তু পরিণত বয়সে কুনোব্যাঙ ডাঙ্গায় বাস করে ফলে কুনোব্যাঙকে উভচর প্রাণী বলা হয়।

ক. হাইড্রা কোন পর্বের প্রাণী?

উত্তর :হাইড্রা নিডারিয়া পর্বের প্রাণী।

খ. পাখিরা উড়তে পারে কেন?

উত্তর :পাখির দেহ পালকে আবৃত। এদের দুটি ডানা, দুটি পা ও একটি চঞ্চু থাকে। হাড় শক্ত,হালকা ও ফাঁপা। এদের ফুসফুসের সাথে বায়ুথলি থাকায় সহজে উড়তে পারে।