সাইফুদ্দিনের কামব্যাক ওভারে ম্যাচে ফিরলো বাংলাদেশ 

নতুন বলে দারুণ শুরু করেছিল বাংলাদেশের বোলাররা। এতে কিছুটা চাপে ছিল ভারতের দুই ওপেনার শুভমান গিল ও অভিষেক শর্মা। সেই চাপে শুরুতেই ক্যাচ দিয়েছিলেন অভিষেক। তবে তা তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হন জাকের আলী অনিক। সেই অভিষেকের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ভর করে বাংলাদেশকে ১৬৯ রানের টার্গেট দিয়েছে ভারত।   

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠান টাইগার অধিনায়ক জাকের আলী অনিক। শুরুতে নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন তানজিম হাসান সাকিব ও নাসুম আহমেদ। তবে ধীরগতির শুরুর পর নিজেদের খোলস ছেড়ে বের হন গিল ও অভিষেক। টাইগার বোলারদের ওপর চড়াও হন এই দুই ভারতীয় ওপেনার। 

প্রথম তিন ওভারে মাত্র ১৭ রানের তোলে ভারত। তবে পরের তিন ওভারে ৫৫ রান সংগ্রহ করেন গিল-অভিষেক। ইনিংসের সপ্তম ওভারে প্রথম সাফল্যের দেখা পায় বাংলাদেশ। দলীয় ৭৭ রানে ১৯ বলে ২৯ রান করা গিলকে ফেরান রিশাদ হোসেন। 

ইনিংসের নবম ওভারে বোলিংয়ে এসে আবারও ভারত শিবিরে আঘাত হানেন রিশাদ। ক্রিজে আসা শিভম দুবেকে সাজঘরে ফেরান তিনি। ৩ বলে ২ রান করে ফিরে যান এই ভারতীয় ব্যাটার। 

তবে মারমুখী ব্যাটিং চালিয়ে যান অভিষেক। তবে দলীয় ১১২ রানে আউট হন তিনি। ৩৭ বলে ৭৫ করে রান আউটে কাটা পড়েন এই ভারতীয় ওপেনার। তার বিদায়ের পর দ্রুতই জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে রানের লাগাম টেন ধরেন টাইগার বোলাররা। সূর্যকুমার ৫ ও তিলক ভর্মা ৫ রানে করে সাজঘরে ফিরে যান। 

এরপর অক্ষর প্যাটেলকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন হার্দিক পান্ডিয়া। অক্ষর কিছুটা ধীরগতির হলেও আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন হার্দিক। ইনিংসের শেষ বলে আউট হন তিনি। এতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬৮ রান সংগ্রহ করে ভারত। হার্দিক ২৯ বলে ৩৮ রান করে আউট হন। অক্ষর ১৫ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের পক্ষে রিশাদ নেন ২টি উইকেট।