জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ

গত ৯-১০ জুলাই হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ঢাকায় জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় দুই দিনব্যাপী জলবায়ু বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন গ্লোবাল কমিশন অন অ্যাডাপ্টেশন (জিসিএ)-এর ঢাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৯ সালে জিসিএ প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ Global Commission on Adaptation কার্যক্রমে অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। জিসিএ-এর উদ্দেশ্য হচ্ছে ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক উষ্ণতা মোকাবিলা এবং অভিযোজন কার্যক্রম বৃদ্ধিতে বৈশ্বিক আন্দোলনকে বেগবান করা। জলবায়ু অভিযোজন মোকাবিলায় বৈশ্বিক চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এবং দায়িত্ববোধ থেকে বাংলাদেশ জিসিএ-এর বৈঠক আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। জিসিএ বৈঠকে এ লেখকের অংশগ্রহণের সুযোগ হয়েছিল এবং ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ একটি দীর্ঘমেয়াদি অভিযোজন কৌশল ও প্রকৃতি নির্ভর সমাধান’ বিষয়ে একটি উপস্থাপনা করি। বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ কেন একটি দীর্ঘমেয়াদি অভিযোজন পদ্ধতি ও প্রকৃতিনির্ভর সমাধান, সে বিষয়ে আলোকপাত করেছি।

ভৌগোলিক অবস্থান এবং ব-দ্বীপ-প্রধান দেশ হওয়ার কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের উল্লেখযোগ্য একটি দুর্যোগপ্রবণ দেশ। ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্চ (আইপিসিসি-৫) তথ্যানুযায়ী বিশ্বের ছয়টি দুর্যোগপ্রবণ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একটি। বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যেমন—ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, খরা, বন্যা, নদীভাঙন আমাদের নিত্যসঙ্গী। এর সঙ্গে রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি। আগামী শতকগুলোতে বৈজ্ঞানিক তথ্য-উপাত্তে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ইত্যাদির জন্য বন্যা, খরা, সাইক্লোন, লবণাক্ততা—এগুলোর ঝুঁকি বৃদ্ধির জোরালো পূর্বাভাস রয়েছে। তাছাড়া প্রয়োজনীয় পরিবেশগত সুরক্ষাব্যবস্থা ছাড়া দ্রুত অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং গ্রামায়ণ ও শিল্প-উন্নয়নের কারণে পরিবেশ ও প্রতিবেশ-ব্যবস্থার ওপর ক্রমশ চাপ বাড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করা ও দেশের উন্নয়নের ধারা বজায় রাখা একটি বড়ো চ্যালেঞ্জ। এই বাস্তবতায় পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশগত চ্যালেঞ্জগুলো বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নকে সহায়তার জন্য প্রণীত হয়েছে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০।

জাতীয় উন্নয়নে পানি, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, পরিবেশ, প্রতিবেশগত ভারসাম্য, কৃষি, ভূমি ব্যবহার এবং অভ্যন্তরীণ পানি ব্যবস্থাপনার সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো এবং দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ একটি কারিগরি অর্থনৈতিক, সামগ্রিক এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত মহাপরিকল্পনা। জলবায়ু পরিবর্তন ও তার ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০-তে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। তাছাড়া পানি ও পরিবেশবিষয়ক লক্ষ্যমাত্রাগুলোকে এ পরিকল্পনায় আরো সময়ভিত্তিক সুনির্দিষ্টকরণ করা হয়েছে। এ মহাপরিকল্পনার ছয়টি নির্দিষ্ট অভীষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত। অভীষ্টসমূহ হচ্ছে :অভীষ্ট ১ : বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তন-সম্পর্কিত বিপর্যয় থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; অভীষ্ট ২ : পানির নিরাপত্তা এবং পানি ব্যবহারে অধিকতর দক্ষতা বৃদ্ধি করা; অভীষ্ট ৩ : সমন্বিত ও টেকসই নদী অঞ্চল এবং মোহনা ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা; অভীষ্ট ৪ : জলাভূমি এবং বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ এবং তাদের যথোপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা; অভীষ্ট ৫ : অন্তঃ ও আন্তঃদেশীয় পানিসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য কার্যকর প্রতিষ্ঠান ও ন্যায়সংগত সুশাসন গড়ে তোলা; এবং অভীষ্ট ৬ : ভূমি ও পানিসম্পদের সর্বোত্তম সমন্বিত ব্যবহার নিশ্চিত করা।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিভিন্ন উপাদান এদেশের উন্নয়নে ব্যাপক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। গত পাঁচ দশকে ঢাকা শহরের তাপমাত্রা বেড়েছে এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অনেক কমেছে। ১৯৭১ সালে ঢাকা শহরের বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ছিল ২৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তা ২০১৬ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাত্ গত ৪৫ বছরে ঢাকা শহরের গড় তাপমাত্রা বেড়েছে ১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অপরদিকে ১৯৭১ সালে ঢাকা শহরের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ছিল ৬৪০ মিলিমিটার, যা ২০১৬ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৭০ মিলিমিটারে। পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ইতিমধ্যে প্রাক-শিল্পস্তরের চেয়ে প্রায় ১ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের ওপর পৌঁছেছে। ২০১৫ থেকে ২০১৮ সাল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণতম বছর ছিল। এটা থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কতটা প্রকট হচ্ছে। তাছাড়া বাংলাদেশের গত দুই দশকে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রায় ৪ মিলিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। যদি বর্তমান হারে তাপমাত্রা বাড়তে থাকে, তাহলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে আমাদের ১৯টি উপকূলীয় জেলা স্থায়ীভাবে ডুবে যেতে পারে। ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের ১৪ শতাংশ এলাকা বন্যাপ্লাবিত হবার আশঙ্কা আছে, তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে সাইক্লোনের মাত্রা ও গতি ৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ বাড়তে পারে।

জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ খাত হলো কৃষি। উচ্চ তাপমাত্রা আউশ, আমন ও বোরো ধানের উচ্চফলনশীল জাতের ফলন হ্রাস পাবে। জলবায়ু পরিবর্তন, বিশেষত তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং বিকিরণ, কীটপতঙ্গ, রোগজীবাণু ও অণুজীবসমূহের বৃদ্ধি ঘটায়। ধারণা করা হচ্ছে, ২১০০ সাল পর্যন্ত আমাদের দেশের তাপমাত্রা ১.৪ ডিগ্রি থকে বৃদ্ধি পেয়ে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা একটি ভয়াবহ বার্তা। সবকিছু অক্ষুণ্ন রেখে যদি দেশের তাপমাত্রা বর্তমানের চেয়ে ১ ডিগ্রি বৃদ্ধি পায়, তাহলে ধানের মোট উত্পাদনের প্রায় ১৭ শতাংশ এবং গমের উত্পাদন ৬১ শতাংশ কমে যাবে। ধানের উত্পাদন ২০৫০ সালের মধ্যে ২০০২ সালের তুলনায় ৪.৫ মিলিয়ন টন হ্রাস পাবে। মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণে কৃষিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ইতিমধ্যেই লবণাক্তপ্রবণ এলাকায় ধানের ফলন কমে গেছে। বিশেষত পটুয়াখালী জেলার ধানের গড় ফলন জাতীয় গড়ের চেয়ে ৪০ শতাংশ এবং নওগাঁর তুলনায় ৫০ শতাংশ কম। সহনীয় পর্যায়ের জলবায়ু পরিবর্তন দৃশ্যকল্পে লবণাক্ততার অনুপ্রবেশের কারণে বছরে প্রায় ২০ লাখ টন ফসল নষ্ট হচ্ছে। পর্যালোচনা থেকে দেখা যায় যে, স্থিতাবস্থা পরিস্থিতিতে ফলন হ্রাসের ফলে বার্ষিক ধানের উত্পাদন ২০৫০ সালে ১.৬০ শতাংশ এবং ২১০০ সালে আরো ৫.১ শতাংশ হ্রাস পাবে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিসহ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট পুনঃপুন বন্যায় কৃষি খাত আরো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের আরেকটি ঝুঁকিপূর্ণ খাত হচ্ছে বনাঞ্চল ও প্রতিবেশ। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা, উচ্চ তাপমাত্রা এবং ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা বৃদ্ধির ফলে দেশের বনসম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, জলবায়ু-সংবেদনশীল অনেক প্রজাতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং অনেক উঁচু বনভূমি এলাকায় মাটি ক্ষয় ও এর গুণমান হ্রাস পাবে। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, সুন্দরবন জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে লোনা পানির অনুপ্রবেশ বৃদ্ধি পাবে, যা বন ও এর বৈচিত্র্যপূর্ণ প্রতিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বাংলাদেশে বনাঞ্চলের পরিমাণ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের তুলনায় কম। ২০০৯ সালে বাংলাদেশের বনাঞ্চলের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৩ শতাংশ, যা ২০১৯ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ শতাংশ। তদুপরি বাংলাদেশে আরো ব্যাপক বনায়ন কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন, যেটি ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০-এ বলা হয়েছে।

সামষ্টিক পর্যায়ে জলবায়ু পরিবর্তনের মিলিত প্রভাবের ফলে সহনীয় জলবায়ু পরিবর্তন পরিবেশে বছরে ১.১ শতাংশ হারে এবং চরম জলবায়ু পরিবর্তন পরিবেশে বছরে ২ শতাংশ হারে মোট দেশজ উত্পাদন হ্রাস পাবে। ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০-এর জন্য প্রণীত একটি প্রাক্কলন হতে দেখা যায়, সহনীয় জলবায়ু পরিবর্তন পরিবেশে ২০১৭-২০৪১ সালের মধ্যে প্রতিবছর দেশজ সম্পদের প্রায় ১.১ শতাংশ হ্রাস পাবে। এ বিশাল নেতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ভিত্তি রচনা করেছে।

ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ মূলত একটি দীর্ঘমেয়াদি অভিযোজন-ভিত্তিক কারিগরি এবং অর্থনৈতিক মহাপরিকল্পনা, যা উন্নয়ন ফলাফলের ওপর পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, ভূমি ব্যবহার, প্রতিবেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং এদের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াকে বিবেচনা করে প্রণয়ন করা হয়েছে। ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০-তে অঞ্চলভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়নে সে অঞ্চলের পানিবিজ্ঞান ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রধান ভূমিকা পালন করেছে। একই ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে, যাকে ‘হটস্পট’ (পানি ও জলবায়ু-উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০-তে বাংলাদেশকে মোট ছয়টি হটস্পটে ভাগ করা হয়েছে। হটস্পটগুলো হচ্ছে : ১) উপকূলীয় অঞ্চল; ২) বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল; ৩) হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ এলাকাসমূহ; ৪) পার্বত্য চট্টগ্রাম; ৫) নদী অঞ্চল এবং মোহনা; এবং ৬) নগর এলাকাসমূহ। এতে বাংলাদেশের প্রায় সকল জেলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব জেলা সমুদ্র উপকূল বা মোহনা, বড়ো বড়ো নদীসংলগ্ন বা খরাপ্রবণ এলাকা হওয়ায় তাদের প্রত্যেককে আবহাওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিভিন্ন ঝুঁকি মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তবে ছয়টি জেলা (গাজীপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, ময়মনসিংহ, নীলফামারী ও শেরপুর) সমুদ্র ও প্রবহমান নদীগুলো থেকে অবস্থানগত দূরত্বের কারণে জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে প্রধান ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য এবং জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলার অভিযোজনের অগ্রদূত। মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের প্রেসিডেন্ট হিলদা সি. হেইন, গ্লোবাল কমিশন অন অ্যাডাপটেশনের চেয়ারম্যান ও জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন এবং জিসিএ সম্মেলনের কো-চেয়ার এবং বিশ্বব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ড. ক্রিস্টালিনা জর্জিওভা সম্মেলনে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সামনের সারিতে থেকে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনন্য নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। জিসিএ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতি মোকাবিলায় ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ একটি শতবর্ষী দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। আগামী সেপ্টেম্বর ২০১৯-এ অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘ মহাসচিবের জলবায়ু সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি অভিযোজন কৌশল হিসেবে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০-কে উপস্থাপন করা যাবে।

n লেখক : সদস্য (জ্যেষ্ঠ সচিব), সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ,

বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন