সম্প্রতি তিতাস গ্যাস মিরপুর এলাকায় প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করেছে। প্রাথমিকভাবে ৫০০ টাকা ক্রেডিট হিসাবে চার্জ করে কার্ড সরবরাহ করা হয়েছে। বলা হয়েছে মিটার ভাড়া হিসাবে ৬০ টাকা কেটে নিয়ে বাকি টাকার গ্যাস সরবরাহ করা হবে। কয়েক দিন পর মিটার রিডিং কমে এলে বকেয়া পরিশোধসহ ১,৫০০ টাকা রিচার্জ করলাম। হিসাবমতে ১২ টাকা ৬০ পয়সা ইউনিট হিসাবে ১,০০০ টাকায় ৭৯.৩৬৫ ইউনিট গ্যাস পাওয়ার কথা। কিন্তু পিওএস সেন্টারের রশিদে ৭৮.২৩ ইউনিট গ্যাস এবং ১৪ টাকা ২৫ পয়সার ব্যাংক চার্জ দেখানো হলো। অর্থাত্ ১.১৩৫ ইউনিট গ্যাস কম দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পিওএস সেন্টারের চার্জ বাবদ বিনা রশিদে আরো ১০ টাকা আদায় করা হলো। তিতাস তার পণ্যের যথাযথ মূল্য আদায় এবং লোকসান এড়ানোর জন্য মিটার স্থাপন করেছে। বিল আদায়ের জন্য বাংকের সহায়তা নিচ্ছে। আমি কেন তার মিটারের ভাড়া এবং আদায়কারী ব্যাংকের কমিশন পরিশোধ করব? সরকারই বা কোন বিবেচনায় রাষ্ট্রায়ত্ত একটা কোম্পানিকে জনগণের অর্থ হাতানোর সুযোগ দিচ্ছে! মিটার ভাড়া ছোট বড় গ্রাহক নির্বিশেষে ৬০ টাকা নির্ধারণেরও কোনো যুক্তি নাই। একজন গ্রাহক ১০০ ইউনিট গ্যাস ব্যবহার করে যে ভাড়া দেবেন, ৪০ ইউনিট ব্যবহারকারীও সেই ভাড়া দেবেন কেন? আমার আবেদন—মিটার ভাড়া এবং ব্যাংক চার্জ তুলে দিয়ে গ্যাসের ইউনিট মূল্য ১২ টাকা ৬০ পয়সার স্থলে ১২ টাকা ৫০ পয়সা করা হোক, যাতে ৫০০ টাকায় ৪০ ইউনিট গ্যাস পাওয়া যায়। এটা কোনো বড় এবং অযৌক্তিক দাবি নয়। এতে ছোট ব্যবহারকারীরা যেমন উপকৃত হবেন, তেমনই গ্যাসের অপচয়ও বন্ধ হবে।
ওয়াহিদুল ইসলাম আখন্দ
৫৭০/১- বি, সেনপাড়া পর্বতা, ঢাকা ১২১৬