ইত্তেফাক রিপোর্ট
বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, সরকার ২০১৯-২০ অর্থবছরে জিডিপিতে ৮.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এ লক্ষ্য অর্জন করতে হলে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি হতে হবে ১৪ শতাংশ। বর্তমানে এটি ১০ শতাংশের মতো রয়েছে। তিনি আরো বলেন, নতুন উদ্যোক্তারাই পারে বাংলাদেশকে দুরন্ত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে, এজন্য তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে হবে, সফল ব্যাবসায়ীদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে, ইনোভেটিভ আইডিয়া, গবেষণা, অভিজ্ঞতা দিয়ে তাদের অনুপ্রাণিত করে যেতে হবে।
‘ক্ষুদ্র ঋণ, উদ্যোক্তা অর্থায়ন এবং বিনিয়োগ’ বিষয়ক এক সভা গতকাল মঙ্গলবার বিডা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতির বক্তব্যে বিডার চেয়ারম্যান এ কথা বলেন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসডিজির মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ। সভায় বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্যম আয়ের রাষ্ট্রে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যকে সামনে রেখে নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি, তাদের ঋণসহায়তা প্রদানসহ, বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, পরামর্শ প্রদান এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক), এসএমই ফাউন্ডেশন, কর্মসংস্থান ব্যাংক, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম তুলে ধরেন। প্রধান অতিথির বক্ত্যবে মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ক্ষুদ্র এবং মাঝারি প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের অর্থনীতির প্রাণ, এদের উন্নয়নের ওপরেই দেশের উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি নির্ভর করে, তাই বিনিয়োগে আগ্রহী ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানসমূহকে আর্থিক সহায়তা থেকে শুরু করে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করতে হবে। এবং সেই সঙ্গে শহর ও গ্রামের আগ্রহী বেকার যুব পুরুষ ও মহিলাদের বিনিয়োগে উত্সাহ ও প্রশিক্ষণ দিতে হবে।