রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ছাত্রদল নেতা সাব্বির হাসানের মৃত্যুকে ঘিরে রহস্য তৈরি হয়েছে। চন্দ্রিমা হাউজিংয়ের একটি বাসায় মঙ্গলবার দুপুরে দরজা ভেঙে গলায় রশি প্যাঁচানো অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে সহকর্মীরা। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত সাব্বির হাসান মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বেলা দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
মোহাম্মদপুর থানার ওসি কাজী রফিক আহমেদ বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, সাব্বিরসহ আরও তিন-চারজন ওই বাসায় থাকতেন। সকালে সবাই যার যার কাজে বেরিয়ে যান। পরে সাব্বির একজনকে নাস্তা আনতে বলেন। নাস্তা নিয়ে ফিরে এসে তার রুমের দরজা বন্ধ পেয়ে অনেক ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে সহকর্মীরা দরজা ভেঙে তাকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সিলিংয়ের সঙ্গে যেই রশি দিয়ে তিনি ফাঁস দিয়েছিলেন, তা খুলে গিয়ে নিচে পড়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।’
ওসি জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকরাম আহমেদ বলেন, ‘সাব্বিরের হাত-পা বাঁধা অবস্থায় লাশ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে আমরা সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাব্বিরকে তার রুমে দরজা বন্ধ অবস্থায় ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ছিল। আমরা মনে করে কেউ পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।’