এফ আর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতি
ইত্তেফাক রিপোর্ট
বনানীর এফ আর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সহকারী পরিচালক শাহ মোহাম্মদ সদরুল আলমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ শুনানি শেষে তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।
সোমবার রাতে বনানীর নিজ বাসায় দুদকের একটি টিম অভিযান চালিয়ে রাজউকের সহকারী পরিচালক শাহ মো. সদরুল আলমকে গ্রেফতার করে। মামলার এহাজারভুক্ত আসামি হওয়ায় সদরুল আলমকে রাতে দুদকের হাজতে রাখা হয়। এরপর গতকাল আদালতে নেওয়ার জন্য গাড়িতে তোলার সময় তিনি সাংবাদিকের দেখে বলেন, আমি অপরাধী নই। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। যে কারণে মামলা হয়েছে আমি তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নই। বড়ো বড়ো রাঘব বোয়ালদের ছেড়ে দিয়ে আমাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তবে তার এ দাবি প্রসঙ্গে দুদক সচিব দিলোয়ার বখত সাংবাদিকদের বলেন, এফ আর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়ায় ২৩ জনকে আসামি করে দুটি মামলা হয়েছে। এর একটির এজাহারভুক্ত আসামি শাহ মোহাম্মদ সদরুল আলম।
দুদক সূত্র জানায়, নকশা জালিয়াতির মাধ্যমে অবৈধভাবে ১৬ থেকে ২৩ তলা ভবন নির্মাণের অভিযোগে গত ২৫ জুন এফআর টাওয়ার ভবন মালিক, নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং রাজউকের সাবেক দুই চেয়ারম্যানসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে দুদক। এর মধ্যে একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি সদরুল আলমকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এ দুটি মামলার আসামির তালিকায় এফ আর টাওয়ারের মালিক এস এম এইচ আই ফারুক, রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুল, এফ আর টাওয়ার ওনার্স সোসাইটির সভাপতি কাসেম ড্রাইসেলের এমডি তাসভীর-উল-ইসলামের নাম রয়েছে।