মাঝ নদী থেকে পশুবাহী ট্রলার ছিনতাই প্রতিরোধে নৌপুলিশের টহল

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে নৌপথে গরু বোঝাই ট্রলারসহ মালামাল পরিবহন সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভা গতকাল মঙ্গলবার নৌপুলিশের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। নৌপুলিশের ডিআইজি আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন লালবাগ হাট ইজারাদার হাজী শফি মাহমুদ, কামরাঙ্গীরচরের ইজারাদার আবুল হোসেন সরকার, পোস্তগোলা শ্মাশানঘাট হাট ইজারাদার মঈনউদ্দিন চিশতী, শ্যামপুর বালুরমাঠ হাট ইজারাদার আমিনুর রহমান ও বসিলা হাট ইজারাদার শাহ আলম হোসেন জীবন এবং পুলিশ সুপার (ক্রাইম) বি এম হারুন অর রশীদ, পুলিশ সুপার খোঃ ফরিদুল ইসলাম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরিদা পারভীন। সভায় ইজারাদাররা জানান, অনেক সময় নৌপথে গরু বোঝাই ট্রলারগুলো নির্দিষ্ট হাটের ব্যানার নিয়ে আসার পথে বিভিন্ন হাটের লোকজন ট্রলারের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে। পরে ট্রলার দখলকারীরা তাদের ব্যানার টানিয়ে জোরপূর্বক ট্রলারের গরু হাটে নিয়ে বিক্রয় করতে বাধ্য করে। ফলে ব্যাপারীদের গরু ছিনতাইসহ নগদ অর্থ খোয়া যায়। ইজারাদাররাও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। তারা নৌপথে গরু বোঝাই ট্রলারগুলো চলাচলের সময় নিরাপত্তা প্রদানের জন্য অনুরোধ জানান নৌপুলিশকে।

এ ব্যাপারে নৌপুলিশের ডিআইজি আতিকুল ইসলাম বলেন, নৌপথে নৌটহল জোরদার করা হবে। গরু বোঝাই ট্রলার চলাচলের সময় সর্বাত্মক নিরাপত্তা দেওয়া হবে। চাঁদাবাজি বন্ধে নৌপুলিশের সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন। এক হাটের গরু কখনোই যেন অন্য হাটে বিক্রি না হয় এবং নৌপথের যাত্রী পারাপার নির্বিঘ্ন করতে মাঠপর্যায়ে কাজ করছে নৌপুলিশ। মতবিনিময় সভা শেষে ডেঙ্গু প্রতিরোধে এবং মশা মুক্ত পরিবেশ গড়তে নৌপুলিশের তিনটি অফিসসহ এর আশপাশ এলাকায় নিজ উদ্যোগে ফগার মেশিন দিয়ে ডেঙ্গুবাহী অ্যাডিস মসার বিস্তার রোধে ওষুধ স্প্রে করা হয়।