ছোটকাকু সিরিজের নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘খালি খালি নোয়াখালী’। নাটকটির নাট্যরূপ ও পরিচালনার পাশাপাশি বরাবরের মতো ছোটকাকু চরিত্রে অভিনয় করেছেন আফজাল হোসেন। এ সিরিজে আরো অভিনয় করেছেন অর্ষা, সীমান্ত, তানভীর হোসেন প্রবাল প্রমুখ। এটি চ্যানেল আইতে প্রচার হবে ঈদের আগের দিন থেকে ঈদের ৭ম দিন পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে।
গল্পে দেখা যাবে, ছোটকাকুর সঙ্গে অনেক বড় বড় রহস্যের সমাধান করতে গিয়ে এমন রহস্যেরও মুখোমুখি হতে হয় যার সমাধানের কোনো কূল-কিনারা খুঁজে পাওয়া যায় না। শরীফ সিঙ্গাপুরি শুধু হাঁপাচ্ছেন না, তাঁর চোখেমুখেও যথেষ্ট ভয়ের ছাপ। যে লোকটি সকালবেলা নানারকম কথা বলে গেলেন, বিকেলে সিনেমা দেখার কথা বলে গেলেন, সেই লোকটির ভাগ্যে এমন কী ঘটল যে, এ রকম ভয়ার্ত চেহারায় সবাইকে এখানে আসতে হলো!
১২টা ৪৪ মিনিটে কথা নেই, বার্তা নেই সাদা পোশাকে গোটা দশেক পুলিশ এসে হাজির। সঙ্গে একজন ইন্সপেক্টর। বুকের মাঝে লেখা সাদেক। তো সাদেক সাহেব আপনার নামে কী অভিযোগ দিতে হায়? খুনের। কিসের? যেন ভালোমতো কথা শুনতে পাওয়া যায় না। বললেন, দেখুন টেলিভিশনের পর্দায়, চ্যানেল আইতে একটি ছায়াছবির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হচ্ছে। এই ছায়াছবি দেখার কথা বলে কী বুঝাতে চাচ্ছেন শরিফ সিঙ্গাপুরি।
কথাটা বলতেই শরিফ সিঙ্গাপুরি বললেন, ছবি নয়, ছবির নিচে স্ক্রল—নতুন অভিনেত্রী লাবণীকে আজ সকালে তাঁর বাড়িতে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। অভিনেত্রী লাবণীর ড্রাইভারের সঙ্গে বাড়ি ফিরে আবার কিছু কথা বললেন ছোটকাকু। যেটুকু কথা কানে আসে তাঁতে বোঝা যায় ছোটকাকু বিশেষ করে জানতে চাচ্ছেন কারা কারা লাবণী ম্যাডামের সঙ্গে দেখা করতে আসতেন, তিনি কোথায় যেতেন, সিনেমা জগতে কাদের সঙ্গে বেশি সখ্য ইত্যাদি ব্যাপারে। ট্রেনে করে নোয়াখালী গেলেই হলো! তারপর গাড়ি করে ছোটাছুটি, দৌড়াদৌড়ি সেগুলো কী করে হবে? আমাদের নোয়াখালী প্রতিনিধিকে বলে দিলেই দেখবেন স্টেশনে কয়েকটা গাড়ি নিয়ে হাজির থাকবে। আওলাদ সাহেবের আইডিয়াটা খারাপ নয়। কিন্তু এত রাতে ট্রেনের টিকেট কোথায় পাওয়া যাবে?
একটু আগে গাড়িতে ওঠার সময় ছোটকাকু মানবজমিনের নোয়াখালী প্রতিনিধিকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, আকিজ খান কী মাঝেমধ্যে তাঁর খামারবাড়িতে আসেন? কালো কাঁচে ঢাকা গাড়ি। আর সামনে বিশাল খামারবাড়ি। সিদ্ধান্ত ছোটকাকুই দিলেন, খামারবাড়িতে গিয়ে গাড়ি থামান। ছোটকাকু বললেন, বিষয়টা লতিফের প্রতিশোধ নেওয়ার স্পৃহাকে ভীষণভাবে জাগ্রত করে। সে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে, জীবনে যদি তাঁর কোনো সুযোগ কখনো আসে, তবে জজ সাহেবের বড় ধরনের একটা ক্ষতি করবে।