ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা
ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল আসন থেকে ১৯৯৬ সালে নৌকা প্রতীক নিয়ে এমপি নির্বাচিত হওয়ার ২২ বছর পর পুনরায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেলেন আওয়ামী লীগ নেতা হাফেজ মাওলানা রুহুল আমীন মাদানী।
তারপরেও যেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মাঝ থেকে শঙ্কা দূর হচ্ছে না। আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমীন মাদানী দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও একই আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ। ফলে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মাঝ থেকে শঙ্কা তো কাটছেই না বরং উত্কণ্ঠার মাঝে নির্বাচনকালীন সময় পার করছেন তারা।
জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, ত্রিশাল আসন থেকে গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে লাঙ্গল প্রতীক বিজয়ী হয়েছিল, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে তাদের নেত্রী রওশন এরশাদ বিজয়ী হবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এদিকে বিএনপি’র তিন শক্তিশালী প্রার্থী ত্রিশাল উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন, ত্রিশাল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, আমীন সরকার, স্বতন্ত্র আব্দুর রাজ্জাক খান ও ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা আজিজুর রহমান, জাকের পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস পার্টির ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলার সেক্রেটারি মুফতি আবদুল মুমিন মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। ত্রিশালের সুকৌশলী বিএনপি’র নৌকার ঘাঁটিকে বিধ্বস্ত করে দলের পক্ষে বিজয় কুড়িয়ে নেওয়ার পূর্ব নজীর তাদের রয়েছে। যেমনটি হয়েছিল গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে। এ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী বিজয় লাভ করেছিল। তাই ত্রিশাল আসনটি নিয়ে সব দলেরই গভীর ভাবনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে বিধায় সাধু সাবধান।
উল্লেখ্য, জয়নাল আবেদীন ও আব্দুর রাজ্জাক খানের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। তবে জয়নালের সমর্থকরা জানান, এ বিষয়ে তারা আপিল করবেন।