ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ

ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছেই। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি জনসচেতনতা কতটা জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ, সে ব্যাপারে পাঠকগণ টেলিফোন ও ই-মেইলে অভিমত প্রকাশ করেছেন। সেসব অভিমত আজ তুলে ধরা হলো

যে কোনো দুর্যোগেই জনসচেতনতা দুর্যোগকে সহনীয় মাত্রায় রাখতে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে, এটা স্বতঃসিদ্ধ সত্য। কিন্তু শহরে নাগরিক জীবনে সবাই নিজেকে নিয়েই বেশি মগ্ন থাকে বলে নাগরিকরা কিছুটা উদাসীন প্রকৃতির হয়। ফলে ভাড়াটিয়ারা যেমন মশার প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস করার বিষয়ে বাড়ির মালিকের দিকে চেয়ে থাকে, তেমনি বাড়ির মালিকও সময় ও লোকবলের অজুহাতে সময়মতো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণে অ্যাডিস মশার উপদ্রব ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলে শহরে। এছাড়া শহরে মশার প্রজনন ক্ষেত্রগুলি ধ্বংস করার জন্য সিটি করপোরেশন বা রাষ্ট্রীয় সংস্থার ভূমিকা জোরালো করা দরকার।

মো. ফখরুল ইসলাম টিপু

সেনবাগ, নোয়াখালী 

যেহেতু ডেঙ্গু রোগের কোনো টিকা নেই, তাই ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধের মূল মন্ত্রই হলো অ্যাডিস মশার বিস্তার রোধ এবং এ মশা যেন কামড়াতে না পারে তার ব্যবস্থা করা। অ্যাডিস মশা অভিজাত এলাকায় এবং বড়ো বড়ো, সুন্দর সুন্দর দালান-কোঠায় বসবাস করে। স্বচ্ছ পরিষ্কার পানিতে এরা ডিম পাড়ে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে অ্যাডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী স্থানগুলোকে পরিষ্কার রাখতে হবে এবং একই সঙ্গে মশা নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। ফুলদানি, অব্যবহূত কৌটা, ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত টায়ার ইত্যাদি সরিয়ে ফেলতে হবে। ঘরের বাথরুমে বা কোথাও জমানো পানি পাঁচ দিনের বেশি যেন না থাকে। অ্যাডিস মশা সাধারণত সকালে ও সন্ধ্যায় কামড়ায়। তবে অন্য কোনো সময়ও কামড়াতে পারে। তাই দিনের বেলা শরীর ভালোভাবে কাপড় দিয়ে ঢেকে বের হতে হবে, প্রয়োজনে মসকুইটো রিপেলেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। ঘরের দরজা-জানালায় নেট লাগাতে হবে। দিনের বেলায় মশারি টানিয়ে অথবা কয়েল জ্বালিয়ে ঘুমাতে হবে। বাচ্চাদের যারা স্কুলে যায়, তাদের হাফ প্যান্ট না পরিয়ে ফুল প্যান্ট পরিয়ে স্কুলে পাঠাতে হবে। মশা নিধনের স্প্রে, কয়েল ও ম্যাট ব্যবহার করতে হবে। আবার ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়ার পূর্বে প্যারাসিটামল ব্যতীত অন্য কোনো ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করা যাবে না।

অমিত বণিক,

মানবসম্পদ ব্যবস্থাপক, উত্তরা, ঢাকা।

প্রতিটি বাড়ির সদস্য/মালিক, সর্বোপরি সরকার সারা বছর পরিচ্ছন্ন অভিযানের পাশাপাশি সচেতনতা চলমান রাখলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ খুবই সহজ হয়ে যায়। এই বিষয়ে গবেষণা চালানো যেমন জরুরি, তেমনি ওষুধ কোম্পানিগুলির উচিত হাত-পা গুটিয়ে না থেকে কোমলমতি শিশুদের জীবন বাঁচাতে সরকারি ও বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় অ্যারোসোল বিতরণ করা। ইউরোপ, আমেরিকাসহ প্রায় ৩/৪টি উন্নত দেশ ভ্রমণকালে স্বচক্ষে দেখে এসেছি, প্রতিটি বাড়ির মালিক/বসবাসকারীকে বাসার সামনে বা লনের ঘাস কাটতে হয়। নচেত্ পুলিশের মামলা খেয়ে মোটা অঙ্কের পাউন্ড/ডলার জরিমানা গুনতে হয়। ব্যক্তি, দোকানপাট, মার্কেট বা বাড়ির মালিককে বাধ্যতামূলক সচেতনতার উদ্দেশে জমানো পানি, পানি জমে থাকার সব উত্স বা ময়লা/আবর্জনা পাওয়া গেলে এক বা দুই হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা আদায়ের বন্দোবস্ত রেখে সার্কুলার পত্রিকায় প্রকাশ করা যেতে পারে।

মো. সফিকুল ইসলাম, ঝিকাতলা, ঢাকা

বিশেষজ্ঞদের মতে ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে আমাদের সচেতনতাই পারে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে। ডেঙ্গু জ্বর সাধারণত একটি সংক্রামক রোগ যা ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে হয়। এই জ্বর প্রতিরোধের মূলমন্ত্রই হলো অ্যাডিস মশার বিস্তার রোধ এবং এ মশা যেন কামড়াতে না পারে, তার ব্যবস্থা করা।

জেসমিন নাহার রিমান

চাঁদপুর, চৌগাছা, যশোর।

আসুন নিজে সচেতন হই এবং সুস্থ ও সুন্দরভাবে জীবন-যাপন করি।

তারিফ হাসান রিমান

মাগুড়া, কিশোরগঞ্জ, নীলফামারী।

জনসচেতনতার অভাবেই মূলত এ রোগের প্রাদুর্ভাব। আসলে মশক নিধনে কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। এ থেকেই ভাইরাসবাহী অ্যাডিস মশার উপদ্রব বাড়ছে আর ডেঙ্গুতে সংক্রমিত হচ্ছি আমরা। এ থেকে রাজধানী ঢাকার দুই নগরপিতাসহ আমাদের মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী কিছুতেই এর দায় এড়াতে পারেন না বলে আমরা মনে করি।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

মুন্সিপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা যেহেতু রাজনৈতিক ইস্যু নয়, তাই সকলকে এ ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে। যার যার অবস্থান হতে এগিয়ে আসতে হবে। ভোগান্তিটা জনগণেরই। তাই জনগণকেই এ বিষয়ে সচেতন হয়ে ডেঙ্গু মোকাবিলা করতে হবে। সিটি করপোরেশন ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যর্থ। দুই কোম্পানির কাছে ওষুধের জন্য জিম্মি- মেয়রের এমন মন্তব্য ব্যর্থতার বহিঃপ্রকাশ।

কামাল হোসাইন

জগন্নাথদী, মধুখালী, ফরিদপুর।

প্রতিদিনই ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ও মৃতের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত ২২ জনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি আমরা! তাই জনসচেতনতার ওপর দায় চাপিয়ে দুই সিটি করপোরেশন ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায় এড়াতে পারে না কিছুতেই।

মোছা. বিলকিছ আক্তার

হরিশ্বর, কাউনিয়া, রংপুর।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন  পরিবেশ থাকলে ডেঙ্গুমুক্ত হবে বাংলাদেশ। সুতরাং এ বিষয়ে সবার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা একান্ত জরুরি।

হোসেন আরা করিম নীলা

নাড়ীর কথা, হাজারীবাগ, ঢাকা

মূলত পরিবেশ বিনষ্ট হওয়ার কারণে ডেঙ্গু জ্বর দেখা দিয়েছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে ডেঙ্গুর বিস্তার ঘটতে পারে না। গত বছরের অ্যাডিস মশা ও লার্ভাগুলো মরে গেছে কিন্তু মশার ডিমগুলো এখনো আছে। শুকনো মৌসুমে এবং শীতকালে এদের বিস্তার দেখা যায় না। বৃষ্টির পানিতে ও অতিরিক্ত তাপমাত্রা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ডিমগুলো ফুটে লার্ভা হয়। লার্ভা থেকে মশার উত্পত্তি ও বিস্তার ঘটতে থাকে। অ্যাডিস মশা ডেঙ্গু জ্বরের বাহক। তাই বাহক মশার দমনই হচ্ছে ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধের প্রথম উপায়।  এর প্রতিরোধের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)

আরাপপুর, ঝিনাইদহ।

আক্রান্ত রোগী নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাতে প্রয়োজনীয় সেবা পায় তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি বলে আমরা মনে করি।

রিফাত

শান্ত মারিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তরা, ঢাকা।

আসন্ন ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের মাধ্যমে এ জ্বর প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে বলে মনে হচ্ছে। সুতরাং এখনই এ বিষয়ে ত্বরিত কর্মসূচি নেওয়া দরকার।

বজলুল

এনায়েতগঞ্জ লেন পিলখানা, ঢাকা।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এছাড়া কর্তৃপক্ষের কাজের সমন্বয় সাধন করা জরুরি।

বুশরা

আজিমপুর গার্লস কলেজ,

আজিমপুর, ঢাকা।

এক রাজধানীতে নগর কর্তৃপক্ষ দুটি। এর ফলে রাজধানীর সমস্যাগুলো কমে যাওয়ার পরিবর্তে সমস্যা বেড়েছে বলে মনে হচ্ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে সবাইকে।

শিশির

পিলখানা, ঢাকা।

ডেঙ্গু কি আসলেই মহামারি আকার ধারণ করেছে? সরকার ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বলেছেন এটা গুজব। তাহলে মেডিক্যাল সেক্টরে চিকিত্সার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ছুটি বাতিল ঘোষণা দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কথার সপক্ষে সায় দেয় না। রাজধানী থেকে গ্রামাঞ্চলে এর বিস্তার ঘটলে এর সামাল দেওয়া সত্যিই কঠিন হবে। তাই অবিলম্বে প্রাকৃতিক দুর্যোগে যেমন সেনাবাহিনীর সহায়তা নেওয়া হয়; তেমনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে তাদের অংশগ্রহণ ও সহায়তা কামনা করা যায় কি না, কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ভেবে দেখতে পারেন।

মাখরাজ খান

সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ

ডেঙ্গু হলে জ্বর আসে এটা শুনেছি কম্বোডিয়াতে গিয়ে। সেখানে আমাদের প্রতিদিন একটি করে ডেঙ্গু প্রতিরোধক ক্যাপসুল খাওয়ানো হতো। আমাদের বাংলাদেশে আগে ম্যালেরিয়ার জ্বরের প্রার্দুভাব ছিল। ১৯৫৮ ইং থেকে ডিডিটি স্প্রে করা হয়, এর তত্ত্বাবধানে ছিল সামরিক বাহিনী। এই ডিডিটি স্প্রে করার পরে মশা, তেলাপোকা ছিল না। আমাদের পার্বত্য অঞ্চল ছাড়া আমাদের সমতল অঞ্চলে কোনো রকম ম্যালেরিয়া হয়নি। যারা পাহাড়ি অঞ্চল থেকে ম্যালেরিয়া নিয়ে আসে তাদের থেকেই ছড়িয়ে পড়ত। শরীরে ডেঙ্গু আছে সেই মানুষকে যদি একটি সাধারণ মশা কামড় দেয় তাহলে ঐ মানুষের শরীরেও ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়বে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতার পাশাপাশি সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে সঠিক ওষুধ নিয়ে এসে অ্যাডিস মশা নিধনে অভিযান চালাতে হবে।

খন্দকার কামরুজ্জামান

উত্তর পীরেরবাগ, মিরপুর, ঢাকা

ডঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচি নিয়মিত চালু রাখতে হবে।

পারভীন সুলতানা

রামচন্দ্রপুর, শৈলকুপা, কুষ্টিয়া

ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানো, একে অন্যকে দোষারোপ করা ও একে অন্যের ব্যর্থতা খোঁজার দ্বারা বর্তমান পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হবে না। এজন্য দীর্ঘমেয়াদি সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে।

সুলতানা জামান

মানিকনগর, ঢাকা

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে প্রচারাভিযান চালাতে হবে।  নিয়মিত মশক নিধনের ওষুধ ব্যবহারের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মো. রবিউল হোসেন রবি

চেয়ারম্যান, মানবাধিকার পর্যটন সংস্থা, ঢাকা

অ্যাডিস মশা দিনের বেলায় বেশি কামড়ায়। তাই দিনের বেলায়ও মশারি ব্যবহার করতে হবে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহ করতে হবে।

অনজু

ধুপপুল, মাইজপাড়া, চট্টগ্রাম

সব শ্রেণির পেশার মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতন করতে পারলে ডেঙ্গু মশার উপদ্রব থেকে বাঁচা যাবে। আমাদের মনে রাখতে হবে স্বাস্থ্যই সম্পদ।

ফারুক আহমেদ

বাঘমারা, রাজশাহী

আমাদের দেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সচেতনতার গুরুত্বই বেশি কার্যকর। এছাড়া মহান আল্লাহর নিকট দোয়া খায়ের করতে হবে।

আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম চৌ. (হিফজু)

হাউজিং স্টেট রাজশাহী

ইতোমধ্যে ৬৩টি জেলার ডেঙ্গু জ্বর ছড়িয়ে পড়েছে। তাই বাসা-বাড়ির বিভিন্ন টবে জমে থাকা পানিগুলো কমপক্ষে ছয় দিন পর পর পরিষ্কার করতে হবে।

ডা. মো. জামিল রহমান

গোপালপুর, টাঙ্গাইল।

অনেক স্থানে ডেঙ্গু শনাক্ত করার পরীক্ষা-নিরীক্ষাও নেই। আতঙ্ক না ছড়িয়ে মানুষকে সচেতন করার জন্য ব্যাপক কর্মসূচি নিতে হবে। ডেঙ্গু চিকিত্সায় সরকারের বাজেট বাড়াতে হবে। এ ব্যাপারে নিবিড় মনিটরিংয়েরও ব্যবস্থা রাখতে হবে।

আনতারা আনিকা লাবণ্য

ইডেন মহিলা কলেজ, আজিমপুর, ঢাকা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডেঙ্গু প্রতিরোধে গুজব রটনাকারীদের প্রতিহতকরণে দেশবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

শাবনাজ শাহানা

দক্ষিণ কমলাপুর, ঢাকা।

বড়ো শহরে দুটি বাড়ির মাঝখানে নানা ধরনের কৌটা, টায়ার, ডাবের খোসা, পলিথিনসহ নানা বর্জ্য পড়ে থাকে। সেখান থেকে পানি জমে এবং অ্যাডিস মশা বংশ বিস্তার করে। বাড়তে থাকে ডেঙ্গু। এই ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমাজের সকল শ্রেণির মানুষকে সমবেতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

মো. রাসেল আহমেদ

মুগদা, ঢাকা।