আড়াইহাজার উপজেলায় এ বছর আউশ ধান উত্পাদনে রেকর্ড হয়েছে। উপজেলার সর্বত্র ফসলি মাঠগুলো সোনালি আউশ ধানে ভরে গেছে। কৃষকের চোখে-মুখে খুশির ঝিলিক। এ বছর ব্রি-৮২ আউশ ধানের আবাদ হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলায় আউশ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ২০ একর জমিতে এবং উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৪০০ টন। এ বছর ১ হাজার ৯০০ কৃষককে আউশ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বীজ, সার ও সেচ সুবিধা প্রদান করা হয়। বগাদী গ্রামের কৃষক মোজাম্মেল জানান, তিন বছর ধরে আমরা আড়াইহাজার উপজেলায় আউশ ধান রোপণ করে আসছি। ফলনও ভালো পাচ্ছি। মাত্র ১০০ থেকে ১১০ দিনের মধ্যে এই ধান কর্তন করা যায়। আড়াইহাজার উপজেলা কৃষি অফিসার রঘুনাথ নাহা জানান, কৃষি অফিসের পরামর্শ মতে উপজেলার কৃষকরা আউশ ধান চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। বোরো কর্তনের পরপরই আউশ ধান রোপণ শুরু করা যায়। আমরা আশা করছি এ বছর আউশ ধানের বাম্পার ফলন হবে।
নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত উপপরিচালক মোহাম্মদ আবদুল কাদির জানান, যে সময় দেশের বিভিন্ন স্থান বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। সেই সময় আড়াইহাজারে আউশ উত্পাদনে রেকর্ড। সত্যিই কৃষকদের জন্য খুশির খবর।
ভাই ও দুই বোনকে কুপিয়ে জখম
আড়াইহাজারে পূর্ব শত্রুতার জেরে এক যুবক ও তার দুই বোনকে কুপিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা। বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার দুপ্তারা খানপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, গতকাল ভোরে একই এলাকার হারিছের দুই পুত্র আলম খান ও নুরে আলমসহ কয়েকজন সন্ত্রাসী মিলে রশিদ খানের বাড়িতে গিয়ে তার টিনের ঘরের বেড়া ভাঙচুর শুরু করে। এতে রশিদ খানের ছেলে নাহিয়ান সাদী ও দুই মেয়ে রিমা ও তানহা ভাঙচুরে বাধা দিলে প্রতিপক্ষ তাদেরকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে। তাদের চিত্কারে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসলে সন্ত্রাসীরা তাদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে চলে যায়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করেন। এ ব্যাপারে নাহিয়ান বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।