মধুখালী উপজেলার আড়কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির ১০ কেবি ট্রান্সফরমার চুরির সময় বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে ধরা খেল এক চোর। পরে স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশে দিয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম বিপ্লব শেখ। সে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছোটো কসবা গ্রামের লিটন শেখের পুত্র। গতকাল শুক্রবার ভোররাতে চুরির ঘটনা ঘটে। ট্রান্সফরমার চুরি বিদ্যুত্ই রুখে দিল।
মধুখালী সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিত্সক জানান, চোরের প্রায় ৩৮ ভাগ শরীর পুড়ে গেছে। উন্নত চিকিত্সার জন্য তাকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ফরিদপুর পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার মো. আবুল হাসান জানান, বেশ কয়েক দিনে পাঁচটা ট্রান্সফরমার চুরি হয়। গতকাল শুক্রবার ট্রান্সফরমার চুরি করার সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে আহত হয়ে নিচে পড়ে গেলে স্থানীয় লোকজন তাকে ধরে পুলিশে দেয়। তার শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে গেছে। এ ঘটনার কিছু সময় আগে গোপালপুর থেকে আরো একটি ট্রান্সফরমার চুরির চেষ্টা হয়েছিল।
ফরিদপুর পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির মধুখালী জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার এ কে এম আব্দুল্লাহ আল নোমান জানান, ৩১ জুলাই উপজেলার কামালদিয়া ইউনিয়নের মীরের কাপাসহাটিয়া গ্রামের মো. জাফর আলী খাঁর ১০ কেবি এবং পিলখানা গ্রামের নুরুজ্জামানের ৫ কেবি সেচ পাম্পের ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। শুক্রবার ভোরে ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে চোর বিদ্যুতে আটকে গেলে বিদ্যুত্ ট্রিপ করে আর চোর নিচে পড়ে যায়।
মধুখালী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান জানান, আটক ব্যক্তির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রমজান আলী নামের আরো একজনকে আটক করা হয়েছে। চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্যদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।