যশোরে খাঁখাঁ করছে পুটখালি খাটাল

এবার ভারত থেকে গরু না আসায় খুশি খামারিরা। এদিকে এক সময় ভারতীয় গরুতে ভর্তি থাকা পুটখালিতে নেই কোরবানির বেচাকেনা নিয়ে কোনো প্রস্তুতি। বিশাল এলাকাজোড়া খাটাল খাঁখাঁ করছে। আশপাশের সীমান্ত দিয়েও আসেনি গরু-মহিষ। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সবচেয়ে বড় পশুহাট খাটাল থেকে সামান্য দূরের শার্শার বাগআঁচড়া-সাতমাইল হাটেও নেই ভারতীয় গরু বিক্রেতাদের দাপট। অথচ এই হাটে ওঠা গরুর ৯০ শতাংশই থাকত ভারতীয়।

বেনাপোল বন্দর থেকে ছয় কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে পুটখালিতে বাংলাদেশে ভারতীয় গরুর সবচাইতে বড় ‘খাটাল’। পাশের অগ্রভুলোট, গোগা ও রুদ্রপুরে রয়েছে আরও তিনটি। বাংলাদেশের পুটখালি ও ভারতের আংরাইল সীমান্তসহ বিভিন্ন এলাকা দিয়ে যে গরু আসে সেগুলো প্রথমে এ খাটালে রাখা হয়। এরপর বিজিবির তদারকিতে শার্শার নাভারণ গবাদিপশু শুল্ক করিডোরের মাধ্যমে ভ্যাট দেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে গরু পৌঁছে যায় দেশের বিভিন্ন স্থানে।

পুটখালির গরু ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন জানান, এখন আর ভারত থেকে আগের মতো গরু আসে না। ভারতীয় গরু আসা কমে যাওয়ায় তিনি নিজেই এখন গরুর খামার করেছেন।

যশোরের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ভবতোষ কান্তি সরকার জানান, ভারতীয় গরু-ছাগল না এলেও কোরবানির পশুহাটে এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। গত চার বছর ভারতীয় গরু না আসায় খামারিরা দেশীয় গরু পালনে আগ্রহী হয়েছেন। কোরবানির জন্য যশোরে প্রায় ৫৬ হাজার ৫০০ গরু-ছাগলের চাহিদা রয়েছে। যার বিপরীতে পালন করা হয়েছে প্রায় ৫৯ হাজার ৫০০টি।