বিশ্বকাপ ব্যর্থতা ভুলতে মরিয়া ভারতীয় ক্রিকেট দল। বিরাট কোহলির নেতৃত্বে আজই মাঠে নামছে তারা। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এবার প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আজ ও কাল প্রথম দু’টি টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে। এরপর ছয় আগস্ট গায়ানাতে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি।
সিরিজটা দু’দিক থেকে জরুরি ভারতের জন্য। প্রথমত বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়ার পর নিজেদের ঝালাই করে নেওয়া একটা সুযোগ পাচ্ছে বিরাট কোহলির দল। অন্যদিকে, এই সিরিজেই তরুণ কিছু ক্রিকেটারদের বাজিয়ে দেখবে টিম ম্যানেজমেন্ট। সীমিত ওভারের সিরিজে বিশ্রামে রাখা হয়েছে জাসপ্রিত বুমরাহকে। অন্যদিকে, অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া ইনজুরির কারণে পুরোটা সময়েই বিশ্রামে থাকছেন।
ফলে, শ্রেয়াস আইয়ার ও মানিশ পান্ডের মত তরুণরা আবারো নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ পাবেন। পান্ডে শেষ ভারতের হয়ে খেলেছেন ২০১৮ সালের নভেম্বরে। অন্যদিকে একই বছরের ফেব্রুয়ারিতে শেষবার ভারতের নীল জার্সি গায়ে চাপিয়েছেন আইয়ার।
ভারত এই সিরিজে নিজেদের মিডল অর্ডারের বিপর্যয় সম্ভাবনা মুছে ফেলতে চায়। আইয়ার ও পান্ডের সাথে এক্ষেত্রে দলের ভরসার জায়গা হবেন একগাদা স্পিনিং অলরাউন্ডার রবিন্দ্র জাদেজা কিংবা ওয়াশিংটন সুন্দর। এছাড়া পেসার খলিল আহমেদ, দীপক চাহার ও তরুণ সেনসেশন নবদ্বীপ সাইনিকেও বাজিয়ে দেখা যাবে।
শিখর ধাওয়ান ফিরে আসায় রোহিত শর্মার সাথে তিনিই ইনিংসের সূচনা করেন। ফলে, লোকেশ রাহুলকেই আজ হয়তো চার নম্বরে ব্যাটিং করতে দেখা যাবে। কিন্তু, ঋষভ পান্তও একাদশে থাকবেন। কারণ, এবার যে মহেন্দ্র সিং ধোনি আগেই বিশ্রাম চেয়ে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজও ভারত সিরিজের জন্য পূর্ণশক্তির দলের ওপর আস্থা রেখেছে। টি-টোয়েন্টিতে ফেরানো হয়েছে কিয়েরন পোলার্ড ও সুনিল নারাইনকে। দু’জনই আধুনিক ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের হট কেক। ফলে, ভারতের লড়াইটা এক তরফা হওয়ার সম্ভাবনা খুবই সামান্য।
ক্যারিবিয়ানদের কোচ ফ্লয়েড রেইফারও মনে করছেন সিরিজটা উপভোগ্য হবে। সিরিজ সামনে রেখে তিনি বলেন, ‘আমাদের দলটা বেশ তরুণ। আমরা দলে তাই অভিজ্ঞতার মিশেল ঘটিয়েছি। এর ফলে একটা সামঞ্জস্য বজায় রাখা সহজ হবে। আশা করি ফ্লোরিডার ম্যাচগুলো বেশ উত্তেজনাপূর্ণ হবে। দর্শকরা বেশ উপভোগ করবেন।’
ইত্তেফাক/এসআর