টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রাথমিক ১৫ সদস্যের দলে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান পেসার প্যাট কামিন্স। ধারণা করা হয়েছিল শুরু থেকে না পারলেও মাঝপথে বিশ্বকাপ দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি। তবে পিঠের চোটের কারণে বৈশ্বিক এই আসর থেকে ছিটকে গেছেন এই তারকা পেসার।
কামিন্সের জায়গায় বিশ্বকাপ দলে নেওয়া হয়েছে বাঁহাতি পেসার বেন ডরসুইসকে। এছাড়া বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়েছেন ম্যাথু শর্টও। তার জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন ছন্দে থাকা ম্যাট রেনশ। তবে বিগ ব্যাশে দারুণ পারফর্ম করা স্টিভেন স্মিথকে বিশ্বকাপের দলে বিবেচনা করেনি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।
জি নির্বাচক টনি ডোডেমেইড বলেন, ‘প্যাটের পিঠের চোট থেকে সেরে উঠতে আরও সময় লাগায় বেন প্রস্তুত বিকল্প হিসেবে দলে এসেছে। সে বাঁহাতি পেস বোলিংয়ের পাশাপাশি ফিল্ডিং ও টেলএন্ডারে কার্যকর ব্যাটিংয়েরও সক্ষমতা রাখে। গতির সঙ্গে সুইংয়ের মিশ্রণ এবং বুদ্ধিদীপ্ত ভ্যারিয়েশনের দক্ষতা তাকে আমাদের প্রত্যাশিত কন্ডিশন এবং দলের সামগ্রিক কাঠামোর সঙ্গে মানানসই করে তুলবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ম্যাটও (রেনশ) সম্প্রতি সব ফরম্যাটেই মুগ্ধ করেছে। অস্ট্রেলিয়া, কুইন্সল্যান্ড বুলস ও ব্রিসবেন হিটের হয়ে সাদা বলের ক্রিকেটে বিভিন্ন ভূমিকায় নিজেকে প্রমাণ করেছে। টপ অর্ডার স্থিতিশীল এবং শ্রীলঙ্কায় গ্রুপপর্বে স্পিন সহায়ক উইকেট প্রত্যাশিত হওয়ায় ম্যাট মাঝের ওভারের ব্যাটিংয়ে বাড়তি সহায়তা দেবে। বাঁ-হাতি ব্যাটার হিসেবেও ভিন্নতা দেবে মিডল অর্ডারে।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার স্কোয়াড: মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জাভিয়ের বার্টলেট, কুপার কনলি, টিম ডেভিড, বেন ডারউইশ, ক্যামেরন গ্রিন, নাথান এলিস, জশ হ্যাজলউড, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, ম্যাট কুনেম্যান, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ম্যাট রেনশ, মার্কাস স্টোনিয়াস ও অ্যাডাম জাম্পা।