উত্সব করেনি চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা

প্রিমিয়ার ফুটবলের রোল অব অনার

প্রিমিয়ার ফুটবলের রোল অব অনার

মৌসুম             চ্যাম্পিয়ন           রানার্সআপ

২০০৭             আবাহনী            মোহামেডান

২০০৮             আবাহনী            মোহামেডান

২০০৯-১০       আবাহনী            মোহামেডান

২০১০-১১        শেখ জামাল       মুক্তিযোদ্ধা

২০১২             আবাহনী            মুক্তিযোদ্ধা

২০১২-১৩        শেখ রাসেল       শেখ জামাল

২০১৩-১৪       শেখ জামাল       আবাহনী

২০১৫             শেখ জামাল       শেখ রাসেল

২০১৬             আবাহনী            চট্টগ্রাম আবাহনী

২০১৭-১৮       আবাহনী            শেখ জামাল

২০১৮-১৯        বসুন্ধরা কিংস     আবাহনী

স্পোর্টস রিপোর্টার

এই আগস্টেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পরিবারসহ ঘাতকের হাতে প্রাণ দিয়েছিলেন। সেই শ্রদ্ধায় প্রিমিয়ার ফুটবল লিগ চ্যাম্পিয়ন  বসুন্ধরা কিংস কোনো উত্সব করেনি। আগেই বলা হয়েছিল লিগের শেষ খেলায় উত্সবের রং ঢেলে দেবেন তারা। বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি ইমরুল হাসান বললেন, ‘সেটা হতো যদি ৩১ জুলাই খেলা শেষ হতো। সেটা না হওয়ায় আমরাও লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার উত্সব করছি না।’

দুই ম্যাচ আগেই বসুন্ধরার শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যায়। তখনই তাদের বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আলোকসজ্জা করে। সেগুলো নামিয়ে ফেলা হয়েছে আগস্টের শোকাবহ মাসের কারণে। উত্সব না করলেও বসুন্ধরার সভাপতি জানিয়েছেন তারা ব্রাজিলের ফুটবল তারকা রোনালদিনহো কিংবা আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা ম্যারাডোনাকে বাংলাদেশে আনার কথা বলছে। এই দুই জনের যেকোনো একজনকে আনার চেষ্টা কিছুটা এগিয়ে থাকলেও সময়ের সঙ্গে মিলছে না জানালেন ইমরুল হাসান। তিনি বললেন, ‘আমরা যাকেই আনি দুই দিনের জন্য আনব। একদিন বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে অন্যদিন আমাদের নিজেদের মাঠে নিয়ে যাওয়া হবে।’

গতকাল রাতে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে নিজেদের শেষ খেলা এবং লিগের শেষ খেলায় বসুন্ধরা ১-১ গোলে চট্টগ্রাম আবাহনীর বিপক্ষে ড্র করে। ড্রয়ে কোনো ক্ষতি হয়নি। ২৪ ম্যাচে ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা। চ্যাম্পিয়নদের মঞ্চে তুলে ট্রফি দেয়া হয়েছে বসুন্ধরার হাতে। এলাম দেখলাম জয় করলাম। ব্যাপাটার যেন বসুন্ধরার কাছে এমনই মনে হচ্ছে।

শেষ দিনের খেলায় ১০ হাজার দর্শক মাঠে। বসুন্ধরার নিজেদের উদ্যোগে এই সমর্থক আনা হয়েছে। একই জার্সি সবার গায়ে। ঢোল বাদ্য ব্যানার লিখে সমর্থকদের উপস্থিতি ঘুমন্ত স্টেডিয়ামকে জাগিয়ে দিয়েছিল কিছুক্ষণের জন্য। লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াই ছিল না। তারপরও কাল স্টেডিয়ামে দারুণ আওয়াজ তুলেছিল বসুন্ধরার নিজেদের আনা সমর্থকরা।

চট্টগ্রাম আবাহনীর হারানোর কিছু ছিল না। ছিল না চ্যাম্পিয়ন দলেরও। তবুও দুই দলের লড়াই বেশ উপভোগ্য হয়েছে। পুরো লিগে ঢাকার মাঠে এমন দর্শক গ্যালারি হতে এমন আওয়াজ শোনা যায়নি। কিন্তু কালকের ছবিটা ছিল ভিন্ন। বসুন্ধরার আক্রমণে কিংবা চট্টগ্রাম আবাহনীর আক্রমণে ঝাঁঝ ছিল। বসুন্ধরার আক্রমণে গ্যালারি হতে আওয়াজাটা বেশিই শোনা গেল। গোল করে সেই গোল পেনাল্টিতে হজম করে ম্যাচ ড্র করেছে বসুন্ধরা।