এবার তিন মাস নিষিদ্ধ মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক

লিওনেল মেসি কোপা আমেরিকা কর্তৃপক্ষ ও দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা কনমেবলকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলায় আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হয়েছেন। পাশাপাশি ৪২ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে।

বার্সেলোনা তারকা গেল কোপা আমেরিকার শুরু থেকেই বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা নিয়ে সোচ্চার ছিলেন। সেমিফাইনালে ব্রাজিলের কাছে ২-০ গোলে হারার পর ম্যাচের রেফারিংকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী। চিলির বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে লাল কার্ড দেখার পর ক্ষুব্ধ মেসি জানান, আগের ম্যাচের প্রতিক্রিয়ায় বাজে মন্তব্য করার ফলেই এই লাল কার্ড দেখতে হয়েছিল তাকে।

মেসির ভাষ্যমতে, ‘দুজনকে একটা লাল কার্ড দেখিয়ে দিলেই সবকিছু শেষ হয়ে যেত। কিন্তু আমার মনে হয় শেষবার যা বলেছিলাম তারই পরিণতি ভোগ করতে হয়েছে আমাকে।’ তিনি আরো জানান, ব্রাজিলের হাতে শিরোপা তুলে দিতেই এমন সব কাণ্ড করছে কনমেবল।

কোপা আমেরিকায় তৃতীয় হবার পর পদক গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়ে মেসি বলেন, ‘কারণ আমরা কোনো দুর্নীতির অংশ হতে চাই না। এটা পুরো কোপার প্রতিই একটা অসম্মান।’ এমন মন্তব্যের পর কনমেবল প্রতিক্রিয়ায় জানায় যে, কোপা আমেরিকা আয়োজকদের উপর মেসির আনা দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং মানহানিকর।

কনমেবলকে দুর্নীতিগ্রস্ত বলার অপরাধে বার্সেলোনা তারকাকে তিন মাসের জন্য নিষিদ্ধ করেছে দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবলের নীতিনির্ধারক সংস্থাটি। এর সঙ্গে আর্থিক জরিমানার মুখোমুখিও হতে যাচ্ছেন মেসি। কনমেবলের করা অর্থদণ্ডের পরিমাণ ৫০০০০ ইউএস ডলার বা ৪২ লক্ষ টাকা। তিন মাসের নিষেধাজ্ঞার কারণে সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবরে চিলি, মেক্সিকো ও জার্মানির বিপক্ষে আর্জেন্টিনার প্রীতি ম্যাচে খেলতে পারবেন না মেসি। তবে কনমেবলের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে আপিল করার জন্য সাত দিনের সময় পাচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, কোপা আমেরিকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে লাল কার্ড দেখার কারণে গেল মাসে তাকে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ এবং ১৫০০ ডলার জরিমানা করেছিল কনমেবল। এর ফলে আগামী বছর মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারবেন না আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।