মুন্সীগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে বহিষ্কার

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক জসিম উদ্দিনকে (৩০) হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ও মামলায় আসামি তালিকায় নাম আসায় মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে মো. শাকিল নামে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা কমিটির সভাপতি ইদ্রিস মিয়াজী ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিক মোল্লা স্বাক্ষরিত প্রেস  বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো  হয়। অভিযুক্ত শাকিল মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

তাকে বহিষ্কারের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা-পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মো. শাকিলকে সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাকিলকে পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।

এদিকে জসিমউদ্দিন হত্যার ঘটনায় শনিবার সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহতের বাবা মাফিক নায়েক। মামলায় নাছির ডাক্তার ও তার ছেলে সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদ্য বহিষ্কৃত নেতা শাকিলকে প্রধান আসামি করা হয়। এতে মোট ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর থানার ওসি মো. মমিনুল ইসলাম ইত্তেফাক ডিজিটালকে জানান, জসিম উদ্দিনকে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

উল্লেখ্য, এবার সংসদ নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ–৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. কামরুজ্জামানের সমর্থক হয়ে নির্বাচন কার্যক্রম করেন। গত শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নের চর আবদুল্লাহ গ্রামে নির্বাচনী পরবর্তী সহিংসতায় প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের সমর্থক  নাছির ডাক্তার ও শাকিলসহ একাংশের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিদ্দিনের সমর্থক জসিম উদ্দিনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠে।