সোনাতলায় বন্যায় ৮৪ কিলোমিটার রাস্তা ও দুটি কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত

চলাচলে চরম দুর্ভোগ

সোনাতলা (বগুড়া) সংবাদদাতা

বগুড়ার সোনাতলায় অতি বর্ষণ ও বন্যায় ৮৪ কিলোমিটার রাস্তা ও ২টি কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরমধ্যে পাকা রাস্তা ৩৪ কিলোমিটার ও কাঁচা রাস্তা ৫০ কিলোমিটার। চলাচলে বেড়েছে চরম দুর্ভোগ।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান জানান, চলতি বছরের জুলাই মাসে অতি বর্ষণ ও বন্যায় এ পর্যন্ত উপজেলার ১৪টি পাকা রাস্তার ৩৪ কিলোমিটার জুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরমধ্যে সোনাতলা-নারুয়ামালা রাস্তা, হরিখালী ভায়া মিলনেরপাড়া-পাকুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ রাস্তা, মধুপুর ইউনিয়ন পরিষদ-তেকানী চুকাই নগর রাস্তা, দিগদাইড় ইউনিয়ন পরিষদ-কলেজ স্টেশন ভায়া চরপাড়াহাট রাস্তা, বালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ-রাণীরপাড়া বাজার রাস্তা অন্যতম। অনেক স্থান ভেঙে ডোবায় পরিণত হয়েছে। আর অসংখ্য স্থানে সৃষ্টি হয়েছে খানা-খন্দ। ভেঙে গেছে রাস্তার দুই পাশ। ৩৪ কিলোমিটার পাকা রাস্তার ক্ষয়ক্ষতিতে টাকায় ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে তেরো কোটি নব্বই লাখ টাকা। এছাড়া হরিখালী রাস্তা থেকে নামাজখালী রাস্তাটির কয়েক স্থানে বন্যার পানির স্রোতে ভেঙে গেছে।

ক্রমান্বয়ে আরো ভাঙছে। এ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২টি কালভার্ট। একটি হলো জাহানাবাদ মাদ্রাসা-হাগাগাড়ি ব্রিজ রাস্তায়। অপরটি মহেশপাড়া-চারমাথা রাস্তায়। কালভার্ট দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রায় ষাট লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলী আরো জানান, এছাড়া আর কোথাও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না তা আমরা খতিয়ে দেখছি। তবে বন্যার পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতির পরিমাণ আরো বেড়ে যেতে পারে।

এদিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান জানান, এবারে অতি বৃষ্টি ও বন্যার ফলে এ পর্যন্ত আনুমানিক ৫০ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের ডিপার্টমেন্টের আওতায় কোনো ব্রিজের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না তা এখন পর্যন্ত আমার জানা নেই।