ছাদ কার্নিশ রিজার্ভারে পানি জমলে জরিমানা করবে চসিক

চট্টগ্রাম অফিস

চট্টগ্রাম নগরীর নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ, কার্নিশ, ড্রাম, রিজার্ভার, ফুলের টব, ছাদবাগানে পানি জমে থাকলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য নেওয়া এ সিদ্ধান্ত দু-এক দিনের মধ্যেই কার্যকর করবে সংস্থাটি। গতকাল রবিবার বিকালে চসিক সম্মেলন কক্ষে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে আয়োজিত সভায় মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

এ সময় তিনি বলেন, লিফলেট বিলি করছি, মাইকিং করছি, চসিক জেনারেল হাসপাতালে বিনামূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হচ্চে। কিট শেষ হওয়ায় দুদিন বন্ধ ছিল। সোমবার (আজ) থেকে আবার চালু হবে। এডিস মশা রোধে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ছিটানো অব্যাহত থাকবে। এ কার্যক্রম জোরদার করতে আরো ফগার মেশিন ও ওষুধ কেনা হচ্ছে। আমরা ভারতীয় ওষুধ সংগ্রহ করেছি। এটি শতভাগ কার্যকর। সরকার, মন্ত্রণালয়, সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি এডিস মশা রোধে নাগরিকদের সচেতন হতে হবে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত ২৬৩ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। ঈদুল আজহায় ঢাকা থেকে অনেকে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসবে, সেখানে কারও ডেঙ্গু হয়ে থাকলে তা এখানে ছড়াতে পারে। এ ব্যাপারেও সচেতন থাকতে হবে।

সভায় নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক হাসান শাহরিয়ার কবির, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মহসিন উদ্দীন, কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামশুদ্দোহা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. আলী উপস্থিত ছিলেন।

সভায় চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মহসিন উদ্দীন বলেন, ডেঙ্গু রোগের কারণ মশা। মশা জন্মানোর কারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাব। সব ডেঙ্গু ভয়াবহ নয়। কিটের সরবরাহ কম হওয়ায় সবার জ্বর হলেই ডেঙ্গু পরীক্ষার দরকার নেই। চমেক হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ৫০ শতাংশ রোগী চট্টগ্রামে আক্রান্ত হয়েছে। বাকিরা বাইরের।