বরিশাল অফিস
ঠিকাদারী সাইটের চুরি করা মালামালের ভাগাভাগির টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে পিকআপ চালক উজ্জল সিকদারকে গলাকেটে হত্যা করে বালুচাপা দেয় তার বন্ধুরা। হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ সন্দেহজনকভাবে নিহত উজ্জলের বন্ধু সোহাগকে আটক করে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহাগ তার বন্ধু উজ্জলকে জবাই করে হত্যার কথা স্বীকার করে। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডের অপর দুই সহযোগীকে লঞ্চে পালানোর সময় ঢাকার সদরঘাট থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। রবিবার নগরীর দক্ষিণ আলেকান্দায় পুলিশ কমিশনারের অস্থায়ী কার্যালয়ের হলরুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান। গ্রেফতারকৃত তিনজন হলো, নগরীর আলেকান্দা এলাকার মো. সোহাগ হাওলাদার, মো. রবিউল ও মো. রমজান। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় জবাইয়ের কাজে ব্যবহূত ছুরি, বালুচাপা দেওয়ার কোদাল, দুটি বেলচা, চেপে ধরার কাঁথা এবং উজ্জলের রক্তমাখা জামাকাপড়।
গত ১ আগস্ট রাতে উজ্জলকে নির্মাণাধীন ট্রাক ট্রার্মিনাল ভবনের ছাদে নিয়ে দুই সহযোগীর সহায়তায় ছুরি দিয়ে গলাকেটে হত্যা করে সোহাগ। এর আগেই ট্রার্মিনালের একপাশে বালু সরিয়ে গর্ত করে রাখে তারা। ঐ রাতেই তাকে টার্মিনালে বালু চাপা দেওয়া হয়। পরদিন ২ আগস্ট সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যদের সহায়তায় ট্রাক টার্মিনালের বালু খুঁড়ে উজ্জলের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ঐদিনই নিহতের মা পারভীন বেগম বাদী হয়ে নগরীর বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন।