সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ হার্বার্ট ডাব্লিউ বুশকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন তার স্বজন ও বিশ্ব নেতারা। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় রাষ্ট্রীয়ভাবে। অনুষ্ঠানে বাবা সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশংসামূলক বানী শোনান সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লিউ বুশ। এই সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। গতকাল ছিল যুক্তরাষ্ট্রের শোকের দিন। অনেক প্রতিষ্ঠানে ছুটিও ঘোষণা করা হয়। সিনিয়র বুশকে টেক্সাসে স্ত্রীর পাশে সমাহিত করা হবে। খবর ডেইলি মেইল ও রয়টার্সের
সিনিয়র বুশের শ্রদ্ধা অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প, সাবেক প্রেসিডেন্ট ওবামা ও ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা, সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও ফার্স্ট লেডি হিলারি ক্লিনটন, সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ও ফার্স্ট লেডি রোজালিন কার্টার উপস্থিত ছিলেন। তারা একই সারিতে বসেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওবামার সঙ্গে করদর্মন করেন যদিও ওবামা তার সমালোচনা করে আসছেন। শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কয়েকজন বিশ্ব নেতা যুক্তরাষ্ট্রে পৌছেছেন।
৪১তম মার্কিন প্রেসিডেন্টের মরদেহ স্থানীয় সময় সকাল ১১টার কিছু আগে ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালে নেওয়া হয়। জুনিয়র বুশ বলেন, এরকম একজন বাবা যেসব পুত্র ও কন্যার থাকে তাদের জন্য এর চেয়ে বড় গৌরবের কিছু থাকে না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ওবামাসহ ৫ জন প্রেসিডেন্ট সিনিয়র বুশের প্রশংসা করেন। সিনিয়র বুশ ছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেওয়া এবং পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট হওয়া শেষ ব্যক্তি। ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালে প্রায় ৩ হাজার অতিথি অংশ নেন। আর রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল ৫০ হাজারের মতো মানুষ।
বিশ্ব নেতাদের মধ্যে জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ ও রানী, অস্ট্রেলিয়ার গভর্ণর জেনারেল, পোলিশ প্রেসিডেন্ট আন্দ্রজেজ দুদা ও দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট লেক ওয়ালেসা, জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল, ব্রিটেনের প্রিন্স অব ওয়েলস চার্লস, ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জন মেজরসহ জাপান, পর্তুগাল, এস্তোনিয়া, কুয়েতসহ অনেক দেশের সাবেক নেতৃবৃন্দের অংশ নেওয়ার কথা। স্থানীয় সময় গত শুক্রবার রাতে ৯৪ বছর বয়সে টেক্সাসে মারা যান সিনিয়র বুশ।