জয়ে অ্যাশেজ শুরু অস্ট্রেলিয়ার

স্পোর্টস রিপোর্টার

২০০১ সালের পর এজবাস্টনে কোনো আর্ন্তজাতিক ম্যাচ জেতেনি অস্ট্রেলিয়া। সাথে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ের আত্মবিশ্বাস ছিলো। কিন্তু রেকর্ড ও আত্মবিশ্বাস ম্লান করে দিল অস্ট্রেলিয়া। শেষ ইনিংসে নাথান লায়নের দূরন্ত বোলিংয়ে অ্যাশেজের প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ডকে হারাল তারা ২৫১ রানে।

প্রথম ইনিংসে ১২২ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলা অস্ট্রেলিয়াকে জোড়া সেঞ্চুরি করে চালকের আসনে বসান সাবেক অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। দ্বিতীয় ইনিংসে স্মিথের সাথে ম্যাথু ওয়েডের সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ডের সামনে ৩৯৮ রানের লক্ষ্য দাড় করায় অস্ট্রেলিয়া।  সেই লক্ষ্যে ছুটতে গিয়ে শুরু থেকে বিপর্যয়ে থাকা ইংল্যান্ড শেষ পর্যন্ত অলআউট হয় ১৪৬ রানে। ম্যাচের প্রথম ইনিংসে স্টিভেন স্মিথের একার ১৪৪ রানে ভর করে অস্ট্রেলিয়া ২৮৪ রান তুলেছিলো। জবাবে ররি বার্নসের সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ড করে ৩৭৪ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া আরও দূরন্ত হয়ে ওঠে।

স্মিথ এবার করেন ১৪২ রান। ২০৭ বলে এই ইনিংস খেলেন তিনি। সাথে ওয়েড খেলেন ১৪৩ বলে ১১০ রানের ইনিংস। এর সঙ্গে ট্রাভিস হিড ৫১ ও জেমস প্যাটিসন ৪৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। ফলে ৭ উইকেটে ৪৮৭ রান তুলে ইনিংস ঘোষনা করে অস্ট্রেলিয়া।

ইংল্যান্ডের সামনে তৈরী হয় ৩৯৮ রানের পাহাড় সমান লক্ষ্য। এই লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে আগের দিন বিনা উইকেটে ১০ রান তুলেছিলো ইংলিশরা। গতকাল দিনের শুরু থেকেই বিপদে পড়ে তারা। প্যাট কামিন্স প্রথমেই ফিরিয়ে দেন আগের ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ন বার্নসে। এরপর নাথান লায়ন এসে পরপর ৩ উইকেট তুলে নেন। তিনি ফেরান জেসন রয়, জো রুট ও জো ডেনলিকে।

লাঞ্চের পর কামিন্স আরও ২ উইকেট নেন এবং লায়ন নেন বেন স্টোকসের উইকেট। ফলে মহা বিপদে পড়ে যায় ইংল্যান্ড। পরের স্পেলে বল করতে এসে লায়ন পরপর ২ বলে ২ উইকেট তুলে নেন। আর ক্রিস ওকসকে আউট করে চতুর্থ শিকার করার পাশাপাশি জয় এনে দেন প্যাট কামিন্স।