রাজশাহী জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত) ব্যানারে ইফতার অনুষ্ঠানে দলীয় সভাপতি ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে ফিরিয়ে আনার শপথ নিয়েছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
এছাড়া কারাবন্দী রাজশাহী-৩ আসনের সাবেক এমপি আসাদুজ্জামান আসাদ ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারকে মুক্ত না করা পর্যন্ত রাজপথে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার শপথ নেন তারা।
বুধবার (১১ মার্চ) এই শপথের একটি ভিডিও সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর আগে মঙ্গলবার রাজশাহীতে এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয় বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
পরে রাতে কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ইফতার এবং শপথের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করলে ঘটনাটি আলোচনায় আসে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শহরের একটি মিলনায়তন ভাড়া করে এই ইফতারের আয়োজন করা হয়। তবে মিলনায়তনটি ভাড়া নেওয়া হয় অন্যনামে। পরে সেখানে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ব্যানারে ইফতার ও শপথের ব্যানার টাঙানো হয়। শপথ করান নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক একজন নেতা। অনুষ্ঠানে ৬০-৭০ তৃণমূলের নেতাকর্মী থাকলেও বড় কোনো নেতা উপস্থিত ছিলেন না।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজশাহী মহানগর আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের এখন কার্যক্রম নিষিদ্ধ। তারা ব্যানার নিয়ে ইফতার পার্টি করতে পারে না। প্রশাসনের উচিত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। না হলে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের প্রতিহত করবে।’
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইফতার পার্টির আইনি সুযোগ নেই। এ ধরনের কোনো খবর আমাদের জানা নেই। আমরা খোঁজ নিচ্ছি।’