নদী ভাঙনে চরম বিপর্যয়ের মুখে প্রাথমিক বিদ্যালয়

আমি শেরপুর জেলার নকলা উপজেলাধীন ৮ নং চর অষ্টধর ইউনিয়নের নারায়ণখোলা (পশ্চিম) গ্রামের বাসিন্দা। গ্রামটি ব্রহ্মপুত্রের তীরে অবস্থিত। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে যে, নদের ভাঙনে গ্রামবাসীরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। বসতভিটা হারিয়েছে শতাধিক পরিবার। ভাঙন অব্যাহত থাকলে বিলীন হয়ে যাবে গ্রাম, পথে নামতে হবে গ্রামের সাধারণ মানুষকে। ভাঙনে হারিয়ে যাচ্ছে আবাদি ফসলি জমি, বিপর্যয়ের সম্মুখীন কৃষিজীবী মানুষেরা। গ্রামের সবচেয়ে পুরনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৪১ নং নারায়ণখোলা দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্রহ্মপুত্র ভাঙনের মুখে। বিদ্যালয় ও ব্রহ্মপুত্রের মাঝে দূরত্ব বর্তমানে ১৫/২০ ফুট হবে। এ বছর বর্ষা মৌসুমে বন্যার পানি বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করার উপক্রম। এর আগে বিদ্যালয়টি নিয়ে জরিপ হলেও কোনো কাজ হয়নি। গত বছর বিদ্যালয়টির সামনে একটি মসজিদ ছিল। মসজিদটি হারিয়ে গেছে ব্রহ্মপুত্রের অতলে। এ অবস্থায়, ব্রহ্মপুত্রপাড়ের মানুষের  স্বপ্নটা বাঁচিয়ে রাখতে যথাযথ উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যালয়টি পুনঃস্থাপন তথা স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

পারভেজ খান, নকলা, শেরপুর