চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা হাসপাতালের ছাদের প্লাস্টার খসে পড়ছে। এতে যে কোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন হাসপাতালে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ দূরদূরান্ত থেকে আসা রোগীরা। চন্দনাইশ উপজেলা গঠনের পর ৩১ শষ্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতালটি নির্মাণ করা হলেও বিগত ২০০৬ সালে ৫০ শষ্যায় উত্তীর্ণ করা হয়। এরপর থেকে সেই পুরাতন দ্বিতল ভবনটি সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে সংস্কারবিহীন চন্দনাইশ হাসপাতালের ছাদের প্লাস্টার খসে পড়ছে। ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা শতশত রোগীর স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছেন ডাক্তারগণ।
উপজেলার স্বাস্থ্যসেবার প্রাণকেন্দ্র হিসাবে পরিচিত হাসপাতালটি প্রথম তলায় রয়েছে—স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কক্ষ, অফিস কক্ষ, জরুরি বিভাগ, টিভি ও ইসিজি কক্ষ এবং দ্বিতীয় তলায় পুরুষ/মহিলা ওয়ার্ড, সেবিকা কক্ষ, প্যাথলজি কক্ষ এবং এবাদতখানা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিচ তলার অধিকাংশ কক্ষে ছাদের প্লাস্টার খসে পড়ছে। এ ব্যাপারে হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. আবু রাশেদের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, প্লাস্টার খসে পড়ার বিষয়টি মাসিক সভায় সংসদ সদস্যকে অবিহিত করা হলে সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী তত্ক্ষণিকভাবে জেলা স্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরে কথা বলেছেন। তবে এখনো কেউ তা দেখার জন্য হাসপাতালে আসেননি বলে জানান। স্বাস্থ্য বিভাগের প্রকৌশলী মো. ফারুকের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, শিগগির পরিদর্শনকরত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।