কুরবানীর ঈদে টুংটাং আওয়াজে ব্যস্ততা বেড়েছে কামারদের 

আসন্ন ঈদুল আজহাকে ঘিরে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় কামারদের কর্মশালায় এখন টুংটাং শব্দে জমে উঠেছে ব্যস্ততার আবহ। কুরবানির পশু জবাই, মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ ও কাটাকাটির প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তৈরিতে দিন-রাত এক করে কাজ করছেন স্থানীয় কামাররা। 

ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে দা, ছুরি, চাকু, বটি, হাসুয়া ও চাপাতিসহ বিভিন্ন ধারালো সরঞ্জামের চাহিদা। পৌরসদরের হাসপাতাল রোডসহ উপজেলার চন্দনপুর, ফজলেপুর, বসন্তপুর, দেয়াড়া, কেঁড়াগাছি, সোনাবাড়িয়া ও কেরালকাতাসহ বিভিন্ন এলাকার কামারশালাগুলোতে এখন চলছে পুরোদমে উৎপাদন ও শান দেওয়ার কাজ।

সরেজমিনে দেখা যায়, জ্বলন্ত কয়লার আগুনে লোহাকে পুড়িয়ে পিটিয়ে তৈরি করা হচ্ছে নানা ধরনের ধারালো সরঞ্জাম। আগুনের তাপে লাল হয়ে ওঠা লোহাকে হাতুড়ির আঘাতে আকার দিচ্ছেন কারিগররা, আর চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছে লোহার টুংটাং শব্দ, যা যেন ঈদের আগমনী সুরই ঘোষণা করছে।

বামনখালী ফজলেপুর গ্ৰামের উত্তম সেন কর্মকার জানান, আমরা স্পিং ও লোহা ব্যবহার করে দা, বটি ও ছুরি তৈরি করছি। তবে স্পিংলোহা দিয়ে তৈরি জিনিসের দাম বেশি। দা এর দাম কেজি হিসেবে ১১০ টাকা দরে ৭৫০টাকা, ছুরির দাম ২০০ থেকে ২৫০ টাকা এবং বটি ৩৫০ টাকা।