সাতক্ষীরায় মরদেহ উদ্ধার

‘কিছু লোক এসে খবর দেয় আমার ছেলেকে মেরে ফেলে রেখেছে’

আপডেট : ১৯ জুন ২০২৬, ১৫:৫৯

পেশায় মধু ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান (৩২)। আগের দিন সন্ধ্যায় বাসা থেকে বেরিয়ে হঠা উধাও হন তিনি। পরদিন সকালে পরিবারের কাছে খবর আসে; হত্যার পর মেহেদির মরদেহ ফেলে রাখা হয়েছে ডোবায়। এই ঘটনার পর মেহেদির মা মনোয়ারা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘ভেবেছিলাম আমার ছেলে পাশের গ্রামে আছে। কিন্তু সকালে কিছু লোক এসে খবর দেয় আমার ছেলেকে মেরে ফেলে রেখে গেছে।’

এর আগে শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের পেছনের মোবাইল ফোন টাওয়ারের পাশে একটি ডোবা থেকে মেহেদির মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মেহেদী পার্শ্ববর্তী কয়লা গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। তিনি পেশায় মধু ব্যবসায়ী ছিলেন। তার স্ত্রী ও চার বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে মেহেদী আর বাড়ি ফিরেনি। শুক্রবার সকালে জালালাবাদ গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলামের স্ত্রী জোহরা খাতুনের বোন সালেহা খাতুন ময়লা ফেলতে গিয়ে ওই ডোবায় একটি মরদেহ দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানালে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। 

নিহতের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, আমার ছেলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। রাতে বাড়ি ফিরে আসেনি। আমরা ভাবছিলাম হয়তো পাশের আলাইপুর গ্রামে তার শ্বশুর বাড়িতে রয়েছে। সকালে কিছু লোক এসে খবর দেয়, কে বা কারা আমার ছেলেকে জালালাবাদে মেরে ফেলে রেখে গেছে।

কলারোয়া থানার ওসি এইচ এম শাহীন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে কে বা কারা তাকে হত্যা করে ফেলে রেখেছে। মরদেহ উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। 

ইত্তেফাক/এপি