হংকংয়ের বিক্ষোভ নিয়ে এবার দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন। দুই দেশের মধ্যে রীতিমতো বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে। এদিকে বিক্ষোভকারীরা হংকংয়ের বিমানবন্দরের একটা অংশ অবরোধ করে রেখেছেন। খবর বিবিসির
যুক্তরাষ্ট্র চীনের বিরুদ্ধে হংকংয়ের বিক্ষোভে হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনেছে এবং চীন হিংস্র পশুর মতো আচরণ করছে বলে উল্লেখ করেছে। আর চীনও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনে বলেছে, ওয়াশিংটন গুন্ডাদের মতো আচরণ করছে। মূলত বৃহস্পতিবার বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে এক মার্কিন কূটনীতিকের আলাপের ছবি প্রকাশ করে বেইজিংপন্থি তা কুং পাও নামের একটি পত্রিকা। চীন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এই ছবির ব্যাপারে ব্যাখ্যা দাবি করে। যুক্তরাষ্ট্র জানায়, তাদের কূটনীতিক কেবল বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নয়, সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বিভিন্ন সময় আলোচনা করেছে। আবার বিক্ষোভকারীদের হাতে যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের পতাকা থাকার ছবিও মিডিয়ায় প্রকাশ হওয়ায় দ্বন্দ্ব বেড়েছে।
বিমানবন্দরে বিক্ষোভ
তি দিনের বিক্ষোভের অংশ হিসেবে বিক্ষোভকারীরা বিমানবন্দরে জড়ো হয়েছেন। তারা বিভিন্ন ভাষায় লেখা ব্যানার নিয়ে হাজির হয়েছেন এবং প্রধান নির্বাহী ক্যারি ল্যামের পদত্যাগ দাবি করেছেন। তবে বিমানবন্দরের কার্যক্রমে তেমন ব্যাঘাত ঘটছে না বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এক বিক্ষোভকারী বলেছেন, এটা আমাদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ। যতক্ষণ না পুলিশ আমাদের ওপর আক্রমণ করবে ততক্ষণ শান্তিপূর্ণই থাকবে। জানা গেছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই বিমানবন্দরে বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। চীন তাদের হংকং ভিত্তিক বিমান সংস্থাকে জানিয়েছে, যেসব কর্মী বিক্ষোভে অংশ নেবে তাদের যেন ছাটাই করা হয়। গত প্রায় দুই মাস ধরে প্রত্যপর্ণ বিল বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ চলছে হংকংয়ে। ক্যারি ল্যাম বিলটি ‘মৃত’ ঘোষণা করলেও বিক্ষোভ থামছে না।