ছোটখাটো ভুলের জন্য মনোনয়নপত্র বাতিল না করতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল শনিবার এ সংক্রান্ত পরিপত্র-২ জারি করে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। পরিপত্রে বলা হয়, ছোটখাটো ত্রুটির জন্য কোনো মনোনয়নপত্র বাতিল করা যাবে না। যদি বাছাইয়ের সময় এমন কোনো ত্রুটি বিচ্যুতি নজরে আসে যা তাত্ক্ষণিকভাবে সংশোধন সম্ভব, তা হলে মনোনয়নপত্র দাখিলকারীর দ্বারা তা সংশোধন করিয়ে নিতে হবে। কোনো প্রার্থীর একটি মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার কারণে ঐ প্রার্থীর অন্য কোনো বৈধ মনোনয়নপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে না। অর্থাত্ শুধুমাত্র একটি মনোনয়নপত্র বৈধ হলেই তার প্রার্থীপদ অটুট থাকবে। সেখানে বলা হয়, যদি কোনো প্রার্থী একাধিক মনোনয়নপত্র দাখিল করেন তবে বাছাইয়ের সময় একটি মনোনয়নপত্র বৈধ পাওয়া গেলে অন্যগুলো বাছাইয়ের প্রয়োজন হবে না। মনোনয়নপত্র গ্রহণ অথবা বাতিল প্রসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্ত মনোনয়নপত্রের নির্দিষ্ট স্থানে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
পরিপত্রে আরো উল্লেখ করা হয়, ভোটার তালিকার কোনো অন্তর্ভুক্তির শুদ্ধতা বা বৈধতার প্রশ্নে কোনো অনুসন্ধান চালানো যাবে না। একই সঙ্গে হলফনামায় উল্লিখিত কোনো তথ্য পরিবর্তন বা সংশোধন করা যাবে না।
প্রার্থী হতে পরিশোধ করতে হবে বিল
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে সরকারি টেলিফোন, বিদ্যুত্, গ্যাস, পানিসহ অন্যান্য পরিষেবা বিল পরিশোধ করতে হবে। ১২ নভেম্বরের মধ্যে এসব বিল পরিশোধে ব্যর্থ হলে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া যাবে না।
প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা সংক্রান্ত পরিপত্রে বলা হয়, মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সাত দিন আগে এসব বিল পরিশোধ করতে হবে। অর্থাত্ ১২ নভেম্বরের মধ্যে এসব বিল পরিশোধ করতে হবে। কোম্পানির পরিচালক বা ফার্মের অংশীদার কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে গৃহীত কোনো ঋণ বা কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলেও নির্বাচনে অযোগ্য হবেন। সেখানে আরো উল্লেখ করা হয়, কৃষি কাজের জন্য গৃৃহীত ক্ষুদ্র কৃষি ঋণ ব্যতীত, মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার তারিখের সাতদিন আগে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান হতে গৃহীত কোনো ঋণ বা তার কোনো কিস্তি পরিশোধে খেলাপি হলে প্রার্থী হতে অযোগ্য হবেন।