নতুন বাজেটে ব্যবসাবান্ধব পদক্ষেপ হিসেবে অনুমোদন ও লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ায় অনলাইনভিত্তিক সিঙ্গেল উইন্ডো ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করার ঘোষণা দিতে পারেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
নতুন বাজেটে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির অংশ হিসেবে লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, আবেদন জমা থেকে লাইসেন্স প্রদান পর্যন্ত পুরো কার্যক্রম সর্বোচ্চ সাত দিনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কোম্পানি নিবন্ধন প্রক্রিয়াও সহজ ও দ্রুত করতে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এতে বাজেটে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। এই ঘাটতি পূরণে দেশীয় ও বিদেশি উৎস থেকে ঋণ ও অর্থায়ন সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে সরকার।
২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি অর্থায়নের জন্য বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ব্যাংক খাত থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা, আর সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে আসবে ১৫ হাজার কোটি টাকা।
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব পেশ করা হবে। এটি বাংলাদেশের ৫৫তম জাতীয় বাজেট। একই সঙ্গে বর্তমান সরকারের মেয়াদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম বাজেট উপস্থাপন হতে যাচ্ছে।