দুবার পিছিয়ে পড়েও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড নিজের মাঠে আর্সেনালের সঙ্গে ২-২ গোলের ড্রয়ে সক্ষম হয়। গত বুধবার রাতে একই পরিস্থিতি হয়েছিল লিভারপুলেরও। তবে দলটি বার্নলির মাঠ থেকে ৩-১ গোলের জয় নিয়ে ফেরে। চেলসির ক্ষেত্রে ঘটেছে উল্টো ব্যাপার। শুরুতে এগিয়ে গিয়েও কোচ মাওরিজিও সারির দল উলভারহ্যাম্পটনের মাঠে ২-১ গোলে হারের কারণে চতুর্থ স্থানে নেমে যায়। নিজেদের খেলায় জিতে আবার তৃতীয় স্থানে উঠে আসে টটেনহ্যাম।
ম্যান ইউ’র মাঠ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে শুরুতে এগিয়ে গিয়েছিল আর্সেনালই। ২৬ মিনিটে লুকাস তরেইরার ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে লক্ষ্যভেদ করেন গানার ডিফেন্ডার শাকোদ্রান মুস্তাফি। ৩০ মিনিটে কোচ হোসে মরিনহোর দলকে সমতায় ফেরান অ্যান্থনি মার্শিয়াল। সমতায় থেকে বিরতিতে যাওয়া উনাই এমেরির দল ৬৭ মিনিটে মার্কোস রোহোর আত্মঘাতী গোল থেকে আবারো এগিয়ে যায়। এর মিনিট দুয়েক পরেই জেসে লিংগার্ডের গোলে সমতায় ফেরে মরিনহোর শিষ্যেরা। ২-২ গোলে ড্র থেকেই শেষ হয় ম্যাচটি।
লিভারপুল দিনের অন্য ম্যাচে বার্নলির বিপক্ষে শুরুতে পিছিয়ে পড়েছিলো। তবে ৬৩ মিনিটে জেমস মিলনারের গোলে সমতা ফেরায় অল রেডরা। এর মিনিট ছয়েক পর বদলি হিসেবে মাঠে নামার তৃতীয় মিনিটেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন লিভারপুলের ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ড রবার্তো ফিরমিনো। দ্বিতীয়ার্ধ্বে যোগ করা সময়ে শাকিরির গোলে জয় নিশ্চিত করে ফেলে কোচ য়ুর্গেন ক্লপের শিষ্যরা। এই জয়ের ফলে ১৫ ম্যাচে ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার দুইয়ে আছে তারা।
এদিকে লিগ মৌসুমের দ্বিতীয় হারের কবলে পড়ে চেলসি। উলভসদের মাঠে শুরুতে যদিও এগিয়ে গিয়েছিল চেলসিই। ১৮ মিনিটে রুবেন লফটাস চিকের গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় কোচ সারির দল। তবে ৫৯ মিনিটে উলভস ফরোয়ার্ড রাউল জিমেনেজ এবং ৬৩ মিনিটে দিয়েগো জোটা গোল করলে ২-১ গোলে হেরে মাঠ ছাড়ে চেলসি।
এদিকে সাউদাম্পটনকে ৩-১ গোলে হারিয়ে আগের খেলায় আর্সেনালের কাছে হারের দুঃখ ভুললো টটেনহ্যাম। নিজেদের মাঠ ওয়েম্বলিতে দলের হয়ে গোলগুলো আসে লুকাস মউরা, হ্যারি কেইন এবং সন হিউং মিনের পা থেকে।