সাতকানিয়ায় শীতের পিঠা বিক্রির ধুম

উপজেলা সদর এলাকাসহ গ্রামের অলি-গলিতে চলছে পিঠা বিক্রির হিড়িক। এ ব্যবসা করে অনেকেই ভালো রোজগার করে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান। এ ব্যবসায় তেমন বেশি পুঁজি লাগে না। জ্বালানি হিসেবে লাকড়ি, গুড়, নারকেল ও চালের গুঁড়া দিয়ে শুরু করা যায় এ ব্যবসা। উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের বিশেষ করে দৈনিক ও সাপ্তাহিক হাট-বাজারগুলোতে শীত মৌসুমের ভাপা (দুপি) পিঠার ব্যবসা শুরু হয়েছে। গ্রাহকের সংখ্যাও চোখে পড়ার মত। এ ব্যবসা চলে দিনে দুইবার। শুরু হয় সকাল থেকে এবং চলে সকাল ১০টা পর্যন্ত। অপরদিকে শুরু হয় বিকাল বেলা এবং চলে রাত ১০টা পর্যন্ত।

অনেক মৌসুমি ব্যবসায়ী দুপি পিঠা ছাড়াও চিতল পিঠা, তৈল পিঠা বানিয়ে খেজুর রস দিয়ে বিক্রি করে। আবার অনেকে দুপি পিঠা সাথে খেজুর রস দিয়ে তৈরি রাব দিয়েও এসব পিঠা খায়। এসব পিঠা এক একটির দাম নেওয়া হয় ৫-৭ টাকা। পুরুষের পাশাপাশি এসব দোকানের ব্যবসায়ীদের মধ্যে মহিলা ও ছোট ছেলেরাও রয়েছে।

উপজেলার থানা পুকুরের পশ্চিম পাশের দুপি পিঠা ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম জানান, প্রতি বছর শীত এলে তিনি দুপি পিঠার ব্যবসা শুরু করেন। পিঠা বানাতে তার ছেলে সায়মন (১১) তাকে সহযোগিতা করেন। শীতের মাত্রা যত বাড়তে থাকে পিঠা বিক্রিও তত বাড়ে। তিনি আরও জানান, প্রতিদিন তার ৪-৫ হাজার টাকার পিঠা বিক্রি হয়। উপজেলার সোনাকানিয়ার পিঠা ব্যবসায়ী আবদু ছমদ জানান, যেসব পিঠায় গুড় ও নারকেল দেওয়া হয় সেসব পিঠার দাম একটু বেশি। শীতের তীব্রতা বাড়লে পিঠা বিক্রিও বেড়ে যায়।