ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচ ড্র হওয়ার সম্ভাবনা ২৪ শতাংশ

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে আগামী রোববার মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল ও নরওয়ে। এই লড়াইয়ে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ফলাফল না আসার বা ড্র হওয়ার সম্ভাবনা ২৪ শতাংশ বলে জানিয়েছে পরিসংখ্যানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অপ্টার সুপার কম্পিউটার। সে ক্ষেত্রে ম্যাচটি অতিরিক্ত সময় বা টাইব্রেকারে গড়াতে পারে।

ম্যাচটির আগে অপ্টার সুপার কম্পিউটারের করা ২৫ হাজার সিমুলেশন বা বিশ্লেষণ থেকে এই তথ্য উঠে এসেছে। পরিসংখ্যান বলছে, নির্ধারিত সময়ে লাতিন পরাশক্তি ব্রাজিলের জয়ের সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি, ৫৩ দশমিক ৬ শতাংশ। অন্যদিকে ইউরোপের দেশ নরওয়ের জয়ের সুযোগ রয়েছে ২২ দশমিক ৪ শতাংশ। সব মিলিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার দৌড়ে সেলেসাওদের সম্ভাবনা ৬৫ দশমিক ৬ শতাংশ। আর নরওয়েজিয়ানদের শেষ আটে পৌঁছানোর সম্ভাবনা মাত্র ৩৪ দশমিক ৫ শতাংশ। এই ম্যাচে জয়ী দল কোয়ার্টার ফাইনালে মেক্সিকো অথবা ইংল্যান্ডের মোকাবিলা করবে।

এর আগে নিজেদের শেষ ম্যাচে জাপানের বিপক্ষে ঘাম ঝরিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে ব্রাজিল। কাইশু সানোর গোলে জাপান শুরুতে এগিয়ে যাওয়ার পর কাসেমিরোর লক্ষ্যভেদে সমতায় ফেরে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। একেবারে শেষ মুহূর্তে ব্রুনো গিমারায়েসের বাড়ানো বলে জয়সূচক গোলটি করেন গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। ২-১ ব্যবধানের ওই জয়ে অবদান রাখা গিমারায়েসের চলতি বিশ্বকাপে অ্যাসিস্ট বা গোলে সহায়তার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারে। ১৯৬৬ সালের পর এক আসরে ব্রাজিলের হয়ে এর চেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট করার কীর্তি আছে কেবল কিংবদন্তি পেলের। ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপে পেলে ৬টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন।

অন্যদিকে নিজেদের আগের রাউন্ডে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ২-১ গোলের কষ্টার্জিত জয় পায় নরওয়ে। ম্যাচের ৮৬ মিনিটে আর্লিং হালান্ডের করা গোলটি ইউরোপের দেশটিকে এনে দেয় বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে প্রথম জয়ের স্বাদ। এর আগে ১৯৩৮ ও ১৯৯৮ সালে বড় টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে খেলার সুযোগ পেলেও দুইবারই ইতালির কাছে হেরে বিদায় নিয়েছিল তারা।

তবে নকআউট পর্ব বা শেষ ষোলোর পরিসংখ্যানে বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে ব্রাজিল। বিশ্বকাপে এই পর্বে খেলা নিজেদের সর্বশেষ ১০ ম্যাচের ৯টিতেই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে তারা। এই ধাপে তাদের একমাত্র বিদায়ের ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে, যেখানে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার কাছে ১-০ গোলে হেরেছিল তারা।