আগের দিন আলোচনায় ছিলেন ফরহাদ রেজা। ৭ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। গতকাল বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে অমন একক কোনো পারফরম্যান্স ছিলো না। তবে ভিন্ন ভিন্ন দুই ম্যাচে ৫ উইকেট করে শিকার করে দিনটা নিজেদের করে নিয়েছেন পেসার শহিদুল ইসলাম ও স্পিনার সানজামুল ইসলাম।
বগুড়ায় মধ্যাঞ্চলের ১১৮ রানের জবাবে ১৮৬ রানে প্রথম ইনিংসে অলআউট হয়েছে পূর্বাঞ্চল। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২ উইকেটে ১৩৯ রান তুলেছে মধ্যাঞ্চল। চট্টগ্রামে দক্ষিণাঞ্চল অলআউট হয়েছে ৩২৯ রান করে। জবাবে দারুণ ধীরগতিতে ব্যাট করে ২ উইকেটে ১৩৬ রান করেছে উত্তরাঞ্চল।
মধ্যাঞ্চল প্রথম দিনেই ১১৮ রানে অলআউট হয়েছিলো। জবাবে ১ উইকেটে ৩৭ রান নিয়ে দিন শুরু করে পূর্বাঞ্চল। উইকেটে ছিলেন সামসুর রহমান শুভ ও মাহমুদুল হাসান। শুভ ২৬ রান করে ফিরে এলেও মাহমুদুল দলের সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন। শুভর ফেরার পর আশরাফুল শূন্য রানে ও তাসামুল ৫ রানে ফিরে আসেন। লোয়ার মিডল অর্ডারে অংকন ৩৪ ও ফরহাদ রেজা ২৭ রান করে তবু সম্মান রক্ষা করেন। শেষ পর্যন্ত পূর্বাঞ্চল ১৮৬ রান করে অলআউট হয়।
জবাবে দলীয় ৩১ রানে প্রথম উইকেট হারায় মধ্যাঞ্চল। এরপর ভালো ১০৮ রানের একটা জুটি করেন পিনাক ঘোষ ও আব্দুল মজিদ। মজিদ ৬৭ রান করে আউট হওয়াতে দিনের খেলা শেষ হয়। ৫২ রান নিয়ে উইকেটে আছেন পিনাক ঘোষ।
৯ উইকেটে ২৮০ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিলো দক্ষিণাঞ্চল। গতকাল সকালে বাকি ওই এক উইকেটে তারা আরও ৪৯ রান যোগ করে। এর মধ্যে ১৩ রান আসে শেষ ব্যাটসম্যান কামরুল ইসলাম রাব্বির ব্যাট থেকে। বাকিটা ৬৩ রান করা মেহেদী হাসানের কৃতিত্ব। সানজামুল আগের দিনের ৪ উইকেটের সাথে গতকাল দক্ষিণাঞ্চলের শেষ উইকেটটি তুলে নেন।
জবাব দিতে নেমে ঘোরতর বিপদে পড়েছিলো উত্তরাঞ্চল। মাত্র ১০ রানে ২ উইকেট হারিয়েছিলো তারা। এখান থেকে একেবারে শম্বুক গতিতে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন জুনায়েদ সিদ্দিকী ও নাঈম ইসলাম। নাঈম ২০৮ বলে ৬২ এবং জুনায়েদ ১৯৬ বলে ৭০ রান করে উইকেটে আছেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
দক্ষিণাঞ্চল-উত্তরাঞ্চল
দক্ষিণাঞ্চল-১ম ইনিংস: ১০৮.৪ ওভারে ৩২৯/১০ (রকিবুল ৭৯, মেহেদী ৬৩*, তুষার ৬২, ফজলে রাব্বি ৪৫; সানজামুল ৫/৮৭, এবাদত ২/৪৮)।
উত্তরাঞ্চল-১ম ইনিংস: ৭১ ওভারে ১৩৬/২ (জুনায়েদ ব্যাটিং ৭০, নাঈম ব্যাটিং ৬২)।
মধ্যাঞ্চল-পূর্বাঞ্চল
মধ্যাঞ্চল-১ম ইনিংস: ৫৫ ওভারে ১১৮/১০
এবং ২য় ইনিংস: ৩৯.১ ওভারে ১৩৯/২ (মজিদ ৬৭, পিনাক ব্যাটিং ৫২)
পূর্বাঞ্চল-১ম ইনিংস: ৫২.৫ ওভারে ১৮৬/১০ (মাহমুদুল ৪১, অংকন ৩৪, ফরহাদ রেজা ২৭, সামসুর রহমান ২৬; শহিদুল ৫/৬২, শাকিল ২/৩৫, শাহাদাত ২/৬৭)।