যৌক্তিক স্থানে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলার সদর স্থাপনের দাবিতে হরতালের ডাক

চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর উত্তরাংশে স্থাপনের দাবিতে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল-সন্ধ্যা খাগড়াছড়ি-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ ও হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

‘ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদ’ এ কর্মসূচির ডাক দেয়। উত্তরাংশের দাঁতমারা, বাগানবাজার ও নারায়ণহাট ইউনিয়নে এ কর্মসূচি পালিত হবে।

বুধবার হেয়াকো বাজারে সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন কমিটির সমন্বয়ক নুরুল আমিন আজাদ ও মনির হায়দার।

লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, গত ১০ জুলাই জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাত দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছিল। এরই মধ্যে ঘোষিত কর্মসূচিগুলো শান্তিপূর্ণভাবে পালন করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবি জানানো হলেও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা না যাওয়ায় হরতালের কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, হরতাল চলাকালে দাঁতমারা, বাগানবাজার ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের সরকারি-বেসরকারি অফিস, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, ওষুধের দোকানসহ জরুরি সেবা এবং চলমান পরীক্ষার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হরতালের আওতার বাইরে থাকবে।

হরতাল আহ্বানকারীরা আরও জানান, কর্মসূচির সময় খাগড়াছড়ি -ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং গহিরা-হেয়াকো সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে সমন্বয়ক মো. বেলাল হোসেন, জামায়াত নেতা নুরুল আলম, সাইফুল ইসলাম, কামাল উদ্দিন, নুরুল আবসার, মো. আনিস, জামাল হোসেন, মো. ইব্রাহীম, শাহাদাত হোসেন, মোহাম্মদ আলমগীর, শফিউল আলমসহ সমন্বয় পরিষদের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ভুজপুর থানার ওসি বিপুল চন্দ্র দে বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করলে পুলিশ কোনো প্রকার বাধা দেবে না। তবে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির উদ্ভব হলে পুলিশ তা মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত থাকবে।