চাঁদপুর-চট্টগ্রাম রুট
হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) সংবাদদাতা
চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রামে যাওয়া-আসা করা ট্রেনে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। যাত্রীদের অভিযোগ, টিকিট প্রতি ৫০-১০০ টাকা অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে।
গতকাল শুক্রবার ভোরে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ রেল স্টেশন থেকে প্রায় দুই শতাধিক যাত্রী ওঠেন মেঘনা এক্সপ্রেসে। ট্রেনের যাত্রী শাহাবুদ্দিন অভিযোগ করেন, ‘আমি দুইটি টিকিট কেটেছি ৫০০ টাকা দিয়ে। অথচ টিকিটের প্রকৃত মূল্য ১৬৫ টাকা করে ৩৩০ টাকা।’
আরেক যাত্রী জুয়েল রানা তালুকদার জানান, ঈদ উপলক্ষ্যে রেল স্টেশনগুলোতে নিরাপত্তার জন্য পুলিশ থাকা প্রয়োজন। কিন্তু চাঁদপুর-চট্টগ্রাম রুটে স্টেশনগুলোতে কোনো নিরাপত্তা কর্মী দেখা যায়নি।
হাজীগঞ্জে রেল স্টেশনের কর্মকর্তা মারুফ হোসেন বলেন, ‘হাজীগঞ্জ থেকে মাত্র ৩০টি সিট বরাদ্দ। আমরা অতিরিক্ত ভাড়া নেই না। এখানে যাত্রী রয়েছে প্রায় দুই শতাধিক। শুক্রবার সকালে মেঘনা এক্সপ্রেসের বরাদ্দ টিকিট শেষ হয়েছে। অতিরিক্ত প্রায় দেড় শতাধিক সাধারণ যাত্রী টিকিট নিয়েছেন। এমনকি ভোর ৪.৩০ মিনিটের স্পেশাল ট্রেনের ছাদের ওপরে প্রায় শতাধিক যাত্রী ওঠেন।’
চাঁদপুর স্টেশন মাস্টার মো. জাফর আলম বলেন, ‘আগামী ১৯ আগস্ট সোমবার পর্যন্ত চাঁদপুর-চট্টগ্রাম রুটে ঈদ স্পেশাল ট্রেনগুলো চলবে। প্রতি বছরের ন্যায় বাংলাদেশ রেলওয়ে ঈদে দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলীয় যাত্রীদের জন্য চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম রেলপথে দুই জোড়া যাত্রীবাহী ঈদ স্পেশাল ট্রেন দিয়েছে।’
চাঁদপুর রেল স্টেশনের সহকারী মাস্টার মো. শোয়েবুল ইসলাম শিকদার বলেন, ‘ঈদ স্পেশাল-১, ২, ৩ ও ৪ চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-চট্টগ্রামের মধ্যে চলাচল করছে। যাত্রীবাহী ঈদ স্পেশাল ট্রেনের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে চট্টগ্রাম-চাঁদপুর সাধারণ প্রতিযাত্রীর জন্যে ১০০ টাকা, চট্টগ্রাম-ফেনী ৫৫ টাকা, চাঁদপুর-লাকসাম ৩৫ টাকা, চট্টগ্রাম-লাকসাম ৭৫ টাকা, চাঁদপুর-নাঙ্গলকোট ৪০ টাকা ও চট্টগ্রাম-নাঙ্গলকোট ৭০ টাকা।’