ইত্তেফাক রিপোর্ট
‘আমার কবিতা আজ একরাশ পাতার মতন/ উড়ে যায়, দূরে যায়, বস্তুত এ-সন্ধেবেলা যায়,/ কোথায় যে যায়।’ (আমার কবিতা আজ)
নিজের কবিতা নিয়েই সন্দিহান ছিলেন কবি। তার মৃত্যুর পর ১৩টি বছর চলে গেছে। তিনি কী হারিয়ে গেছেন বাংলার মানুষের হূদয় থেকে? আজ দেশের সাম্প্রতিককালের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের একাদশতম মৃত্যুবার্ষিকী। কবি ২০০৬ সালের এইদিনে চিকিত্সাধীন অবস্থায় ঢাকায় ইন্তেকাল করেন।
বরেণ্য এ কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শামসুর রাহমান স্মৃতিপরিষদসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কবির ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ শনিবার বনানী কবরস্থানে স্মৃতিপরিষদ, জাতীয় কবিতা পরিষদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট ও কবির পরিবারের পক্ষ থেকে তার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে কবির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।
কবি শামসুর রাহমান সাংবাদিক হিসেবে ১৯৫৭ সালে কর্মজীবন শুরু করেন দৈনিক মর্নিং নিউজ-এ। ১৯৭৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি দৈনিক বাংলা ও সাপ্তাহিক বিচিত্রার সম্পাদক নিযুক্ত হন। ১৯৮৭-তে সামরিক সরকারের শাসনামলে তিনি পদত্যাগ করেন। এরপর তিনি অধুনা নামের একটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
শামসুর রাহমান আদমজি সাহিত্য পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, স্বাধীনতা পদকসহ অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর ঢাকার মাহুতটুলিতে জন্ম নেওয়া এই কবিকে তার ইচ্ছানুযায়ী ঢাকার বনানী কবরস্থানে, মায়ের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।