পারস্পরিক শুল্কের পর এবার যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা জোরপূর্বক শ্রম শুল্কও মামলার মুখে পড়েছে। এই শুল্কের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেশটির ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান নেতৃত্বাধীন ২৫ অঙ্গরাজ্যের পক্ষ থেকে মামলা হয়েছে।
স্থানীয় সময় সোমবার মামলাটি করা হয় নিউইয়র্কের ইউএস কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডে। এতে বিচারকদের কাছে শুল্ক বাস্তবায়ন স্থগিত, বেআইনি ঘোষণা এবং সরকারকে অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।
দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসে গত বছরের এপ্রিলে বিশ্বের অধিকাংশ দেশের ওপর পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করেন ট্রাম্প। যা আদালতের এক রায়ে বাতিল হয়েছে। নতুন কৌশল হিসেবে গত ২৪ জুলাই জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্য আমদানির কথা বলে ৬০টি বাণিজ্য অংশীদারের ওপর ১০ ও সাড়ে ১২ শতাংশ করে শুল্ক আরোপ হয়। যা ঘোষণার দিন থেকেই কার্যকর হয়েছে।
ঘোষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশের ওপর শুল্ক আরোপ হয়েছে ১০ শতাংশ। এটি আরোপের ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসন ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের একটি ধারা প্রয়োগ করে। এই ধারা অনুযায়ী, কোনো দেশ জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য আমদানি করলে সেই দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্র শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করতে পারবে। তবে মামলার নথিতে বলা হয়েছে, নতুন শুল্ক আরোপ করে প্রেসিডেন্ট তাঁর ক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে গেছেন।