ইয়েমেনের মধ্যাঞ্চলীয় শহর মারিবে হুথিদের চালানো একাধিক ড্রোন হামলা প্রতিহত করার দাবি করেছে দেশটির সরকারি বাহিনী। হামলায় বেশ কয়েকটি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইয়েমেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) তুরস্কের সরকারি সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইয়েমেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, শুক্রবার সকালে মারিবের আকাশে হুথিদের বেশ কয়েকটি ড্রোন শনাক্ত করে ভূপাতিত করেছে সরকারি বাহিনী। হামলার লক্ষ্য ছিল শহরের বিভিন্ন এলাকা।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদমাধ্যম সেপ্টেম্বর নেট নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, শহরটিতে ব্যাপক বেসামরিক কর্মকাণ্ড চলার সময় হুথিরা একাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। মারিবে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত বহু মানুষ বসবাস করায় হামলার ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সরকারি মালিকানাধীন সাবা টিভিও জানিয়েছে, মারিবের আকাশে হুথিদের কয়েকটি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
হামলার দায় স্বীকার করে হুথিদের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
সৌদিতেও হুথিদের হামলা
এদিকে সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান প্রদেশেও হুথিদের হামলার খবর পাওয়া গেছে। হামলার পর সৌদি গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, হুথিরা বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থনকারী সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, নাজরানে হুথিদের হামলায় সাতজন সৌদি, একজন ইয়েমেনি, দুজন মিশরীয় এবং একজন পাকিস্তানি নাগরিক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চার বছর বয়সী একটি শিশুও রয়েছে।
হুথিদের বিরুদ্ধে বেসামরিক এলাকায় নির্বিচারে হামলা চালিয়ে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ করেন আল-মালিকি। তিনি বলেন, বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জোট প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা অব্যাহত রাখবে।
তবে সৌদি জোটের এই বক্তব্যের বিষয়ে হুথি বা ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি