ফুটবলার সাবিনা সেভ দ্য চিলড্রেন যুবদূত

কীভাবে সংগ্রাম করে জীবনে বড়ো হতে হয় তার জলন্ত উদাহরণ বাংলার ফুটবলার সাবিনা খাতুন। জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা। সাতক্ষীরার মেয়ে। ফুটবল খেলতে এসে রক্ত পানি করে দেশের ফুটবলে জায়গা করে নিয়েছেন। জাতীয় পতাকা হাতে নিয়েছেন। দেশের ফুটবল ছাড়িয়ে বিদেশের ফুটবলেও মাতিয়েছেন।

বাংলাদেশের প্রথম নারী পেশাদার ফুটবলার সাবিনা খেলেছেন মালদ্বীপের ফুটবলে। ভূরি ভূরি গোল করে মালদ্বীপের ফুটবলে বড়ো তারকা হয়েছেন। দেশের ফুটবলে সাবিনা এখন আইকন। তাকে দেখে অন্য ফুটবলাররা প্রেরণা পায়। তার কথা শুনতে পারে দেশের আগামী দিনের নারীরা।

সেভ দ্য চিলড্রেনের ইয়ুথ অ্যাম্বেসেডর নিযুক্ত করা হয়েছে সাবিনা খাতুনকে। এক বছরের জন্য সাবিনাকে চুক্তিবদ্ধ করা হয়েছে। সময়ের প্রয়োজনে ২০২২ সাল পর্যন্ত গড়াবে সাবিনার সঙ্গে সেভ দ্যা চিলড্রেনের চুক্তি। চুক্তি শেষে সাবিনা বললেন, ‘এটি শুধু আমার জন্যই নয়। আমাদের ফুটবল ক্যাম্পে যারা রয়েছেন কিংবা ক্যাম্পের বাইরে রয়েছেন তারাও অনুপ্রেরণা পাবেন।’ গতকাল বিকালে বাফুফেতে চুক্তি সম্পন্ন হয়। পরে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রতিনিধিরা।

সূচনা নামের যে প্রোগ্রাম রয়েছে সেখানে নারী প্রকল্প নিয়েও কাজ হয়। বিশেষ করে পনের থেকে আঠারো বয়সের কিশোরীদের নিয়ে কাজ করে সূচনা। সূচনা নারী মুক্তির জন্য কাজ করে। সেভ দ্য চিলড্রেনের প্রতিনিধি সাবিনা রাজধানী এবং সিলেটে সূচনার যে প্রোগাম রয়েছে সেখানে যাবে কাজ করবে। কথা বলবে। নারীর বিভিন্ন সমস্যা, অপরিণত বয়সে বিয়ে হওয়া, সমাজে প্রতিষ্ঠা হওয়ার বিষয়, জীবন চলার পথে নানা বাঁধা পেরিয়ে এগিয়ে যাওয়ার মূল মন্ত্র মাথায় কীভাবে উন্নতির সিঁড়িতে উঠতে হয় সেই অভিজ্ঞতার কথা এবং অধিকারের কথা তুলে ধরবেন সাবিনা।  চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সেভ দ্য চিলড্রেনের পক্ষ হতে আসা আরিফ আহমেদ, শেখ শাহেদ রহমান, আনোয়ার আজম, বাফুফের মহিলা ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ, বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।